Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জেলাপ্রতি ৩০টি স্কুলে মিড ডে মিলের ফিরবে হাল, বেসরকারি তহবিল আনতে তৎপর রাজ্য

পিছিয়ে থাকা স্কুলগুলিতে মিড ডে মিল প্রকল্পের উন্নতিতে বিশেষ উদ্যোগ নিল সরকার। প্রত্যেক জেলার ৩০টি স্কুল চিহ্নিত করে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলাপ্রতি ৩০টি স্কুলে মিড ডে মিলের ফিরবে হাল, বেসরকারি তহবিল আনতে তৎপর রাজ্য
  • ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

অর্পণ সেনগুপ্ত, কলকাতা: পিছিয়ে থাকা স্কুলগুলিতে মিড ডে মিল প্রকল্পের উন্নতিতে বিশেষ উদ্যোগ নিল সরকার। প্রত্যেক জেলার ৩০টি স্কুল চিহ্নিত করে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটির (সিএসআর) আওতায় এনে স্কুলগুলির মিড ডে মিলের করুণ ছবি পাল্টানোর চেষ্টা চলছে। অর্থাৎ বেসরকারি সংস্থাগুলিকেও এর সঙ্গে যুক্ত করা হবে। স্কুলগুলির চিহ্নিতকরণ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে।

Advertisement

মিড ডে মিলের রাজ্য প্রকল্প অধিকর্তার তরফে সমস্ত জেলাশাসকের কাছে এ ধরনের স্কুলগুলি চিহ্নিত করার নির্দেশ গিয়েছিল। বলা হয়েছে, বিশেষ করে সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং অন্যান্য মাপকাঠিতে পিছিয়ে থাকা এলাকা থেকে স্কুলগুলি বাছাই করতে হবে। অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কোন স্কুলগুলিকে বাছাই করতে হবে, তার জন্য বিডিও এবং স্কুল পরিদর্শকদের সাহায্য নেওয়ার কথাও বলা হয়েছিল। প্রকল্প অধিকর্তা দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, এই স্কুলগুলিতে বিশেষ নজরদারি চালানো হবে। বাড়তি যত্নও নেওয়া হবে। অনেক স্কুলেই রান্না-খাওয়ার পাত্রের হাল খারাপ। নতুন বাসনপত্র কেনা এবং অন্যান্য সহায়তার জন্য সিএসআর ফান্ড খোঁজা হচ্ছে। প্রথমে এই বিভাগের ব্যাঙ্কিং পার্টনারদের কাছে যাওয়া হবে। তা ছাড়াও অন্যান্য সংস্থাকে আহ্বান জানানো হবে এতে শামিল হওয়ার জন্য। এর আগেও বিক্ষিপ্তভাবে সিএসআর ফান্ডের মাধ্যমে কিছু স্কুলে বিশেষ মিড ডে মিল দেওয়া হয়েছে। তবে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে স্কুলের মিড ডে মিল পরিকাঠামোর বিশেষ উন্নতিতে সিএসআর ফান্ড খোঁজার নজির সেভাবে নেই। সেটা করা হলে তা অভিনব বিষয় হবে বলে মনে করছেন আধিকারিকরা। যদিও এ ক্ষেত্রে কতটা সাড়া মিলবে তার উপরই নির্ভর করছে এর অগ্রগতি।
কেন্দ্রীয় পরিদর্শক দল পাঠিয়ে রাজ্যকে বারবার মিড ডে মিল নিয়ে চাপে রাখার চেষ্টা করেছে নয়াদিল্লি। যদিও সেই পর্ব কেটে গিয়েছে বলে দাবি করছেন আধিকারিকরা। হিসেবপত্র একেবারে নিখুঁত করা হয়েছে। সময়ের আগেই এ কাজ শেষ করায় কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর দপ্তর থেকে প্রশংসাও এসেছে বলে তাঁদের দাবি। কয়েক বছর আগের ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট নিয়েও ছিল জটিলতা। তবে গরমিল হওয়া সব হিসেব সংশোধন করে তা জমা দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রও তা গ্রহণ করেছে। তাই স্বচ্ছতার মাপকাঠিতেও রাজ্য প্রথম দিকেই উঠে এসেছে। তবে পরিকাঠামো, ঢিলেঢালা নজরদারির সমস্যা এখনও রয়েছে। আধিকারিকরা অবশ্য দাবি করছেন, আগের চেয়ে তা অনেক বেড়েছে। বাড়তি ছাত্র দেখিয়ে হিসেব দেওয়ার প্রবণতাও অনেক কমেছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ