১২৫ দিনের কাজ প্রকল্পে দেশের মধ্যে তলানিতে পশ্চিমবঙ্গ! গতি ফেরাতে মাঠে নামবেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী
  • ১ নভেম্বর, ২০২৬ ১১:০১
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের গ্রামীন কর্মসংস্থানের অন্যতম বড় প্রকল্প ১২৫ দিনের কাজ। আর সেই প্রকল্পে দেশের মধ্যে তলানিতে পশ্চিমবঙ্গ। আর এই কারণে এবার সরাসরি প্রশাসনিক কাজে নজর দিতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কাগজে-কলমে লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও বাস্তবে শ্রমদিবস তৈরির গতি অত্যন্ত ধীর। সেই ছবিই বদলাতে এবার জেলা বা রাজ্যস্তরের বৈঠকে সীমাবদ্ধ না থেকে একেবারে ব্লক স্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে চান মুখ্যমন্ত্রী। আগামী ৪ নভেম্বর বিধাননগরের পঞ্চায়েত ভবন থেকে ভার্চুয়াল বৈঠকের মাধ্যমে বিডিওদের সঙ্গেও সংযোগ স্থাপন করবেন তিনি।

Advertisement

প্রশাসনিক সূত্রে খবর, ওই দিন সকাল ১১টায় শুরু হবে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। উপস্থিত থাকার কথা পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ, দফতরের প্রতিমন্ত্রী শান্তনু প্রামাণিক-সহ রাজ্য ও পঞ্চায়েত দফতরের শীর্ষ আধিকারিকদের। তবে বৈঠকের মূল আকর্ষণ হতে চলেছে ব্লক স্তরের প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর সরাসরি আলোচনা। প্রকল্পের কাজে কোথায় সমস্যা তৈরি হচ্ছে, কেন নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী কাজ এগোচ্ছে না, সেই সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখবেন তিনি। চলতি অর্থ বর্ষে রাজ্যের জন্য নির্ধারিত ৩০ কোটি শ্রমদিবসের লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে এখনও পর্যন্ত মাত্র ৫০ লক্ষ শ্রমদিবস তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রকল্পের কাজের গতি বাড়ানোই বৈঠকের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ, দফতরের প্রতিমন্ত্রী শান্তনু প্রামাণিক-সহ রাজ্য এবং পঞ্চায়েত দপ্তরের শীর্ষ আধিকারিকরা। 

জানা গিয়েছে, শুধু জেলা বা রাজ্যস্তরেই নয়, ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক বা বিডিও স্তর পর্যন্ত প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল মাধ্যমে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করে তাঁদের সমস্যার কথা শুনবেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রকল্প রূপায়ণে কোথায় প্রশাসনিক বা পরিকাঠামোগত বাধা তৈরি হচ্ছে, তা চিহ্নিত করে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়া হবে। শুধু সমস্যার পর্যালোচনা করেই বৈঠক শেষ করতে চাইছে না রাজ্য। সূত্রের খবর, ১২৫ দিনের কাজের আওতায় নতুন কিছু প্রকল্পের পরিকল্পনা এবং সেগুলি বাস্তবায়নের জন্য নির্দিষ্ট এসওপি প্রকাশের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে। প্রস্তাবিত কাজের তালিকায় রয়েছে গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলির রক্ষণাবেক্ষণ, আদর্শ পঞ্চায়েত ভবন নির্মাণ এবং পুকুর খননের মতো একাধিক প্রকল্প। বিভিন্ন দপ্তরের প্রকল্পের সঙ্গে সমন্বয় রেখে ভিবি-গ্রামজির আওতায় এই কাজগুলি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।