প্রীতেশ বসু, কলকাতা: ১০০ দিনের কাজ, আবাস যোজনা এবং প্রধানমন্ত্রী সড়ক যোজনা খাতে বাংলার ন্যায্য প্রাপ্য দিচ্ছে না কেন্দ্রীয় সরকার। এরপর বাংলার পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকাও আটকে দেওয়ায় শুরু হয়েছে শোরগোল। রাজ্য যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি বলেই টাকা আটকানো হয়েছে বলে জানানো হয় পঞ্চায়েতিরাজ মন্ত্রী রাজীবরঞ্জন সিংয়ের তরফে। যোগ্যতা অর্জন করতে না পারার প্রধান কারণ হিসেবে বলা হয়েছিল ষষ্ঠ রাজ্য অর্থ কমিশনের রিপোর্ট বিধানসভায় জমা না দেওয়া। পরবর্তীতে এই রিপোর্ট বিধানসভায় জমা দিয়েছে রাজ্য। তবে সম্প্রতি বাংলার এই বরাদ্দ আটকানো নিয়ে আরও একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। সূত্রের খবর, অর্থ কমিশনের টাকা পাওয়ার ১০ দিনের মধ্যে ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েতে তা পাঠিয়ে দেওয়াটা বাধ্যতামূলক। তা না হলে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নির্ধারিত হারে দিন পিছু পেনাল্টি বা জরিমানা দিতে হয় রাজ্যকে। এক্ষেত্রে কেন্দ্রের দাবি, গত বার এই খাতে দেওয়া টাকা ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েতে পাঠাতে চার থেকে ছ’দিন বেশি সময় লাগিয়েছিল রাজ্য। অর্থ কমিশনের টাকা আটকানোর এটিও একটি বড় কারণ বলে দাবি কেন্দ্রের। তবে এই ঘটনাকে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে মোদি সরকারের ‘অতিসক্রিয়তা’ বলেই মনে করছেন রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার। কারণ, তাঁর দাবি, এমন একাধিক রাজ্য রয়েছে, যেখানে কোনও ব্যবস্থাই নেওয়া হয়নি। এ প্রসঙ্গে রাজ্যের ব্যাখ্যা, ১০ দিনের মধ্যেই টাকা ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে ট্রেজারি থেকে তা বেরতে কিছুটা সময় লাগার কারণেই চার থেকে ছ’দিন বেশি লেগে যায়। কেন্দ্রীয় পোর্টালেই এই তথ্য দেখা যাচ্ছে।



