Bartaman Logo
৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

১ মিটার নয়, মাটির নীচে জলের পাইপ বসছে মাত্র এক ফুট নীচে, হাতেনাতে ধরলেন রাজারহাট-গোপালপুরের বিধায়ক

মাটি খুঁড়ে জলের পাইপলাইন পাতার কাজ করছে পুরসভা। সে কাজে বিস্তর অনিয়ম হচ্ছে বলে অভিযোগ তুললেন রাজারহাট-গোপালপুরের বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তেওয়ারি।

১ মিটার নয়, মাটির নীচে জলের পাইপ বসছে মাত্র এক ফুট নীচে, হাতেনাতে ধরলেন রাজারহাট-গোপালপুরের বিধায়ক
  • ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: মাটি খুঁড়ে জলের পাইপলাইন পাতার কাজ করছে পুরসভা। সে কাজে বিস্তর অনিয়ম হচ্ছে বলে অভিযোগ তুললেন রাজারহাট-গোপালপুরের বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তেওয়ারি। তাঁর অভিযোগ, ১ মিটারের বদলে মাটির তলায় মাত্র ১ ফুট নীচে পাইপ পাতা হচ্ছে। কোথাও কোথাও তার থেকেও কম গভীরে বসানো হচ্ছে। এর ফলে অপচয় হচ্ছে সরকারি টাকার। এত কম গভীরে পাইপলাইন থাকলে যানবাহনের চাপে তা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বেশিদিন অক্ষত থাকবে না।

Advertisement

জানা গিয়েছে, রাজারহাট-গোপালপুর বিধানসভা এলাকার একাধিক জায়গায় পাইপলাইন বসানোর কাজ চলছে। বুধবার শাসকদলের বিধায়ক তরুণজ্যোতিবাবু একটি জায়গা পরিদর্শনে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন, মাত্র ১ ফুট নীচে পাইপ পাতার কাজ হচ্ছে। যে কর্মী কাজ করছিলেন তাঁর কাছে জানতে চান কোন ঠিকাদার এই কাজের টেন্ডার পেয়েছেন। তারপর দু’জনকেই ল্যাম্পপোস্টে বাঁধার হুমকি দেন। এরপর ঠিকাদারকে ফোন করে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। একইসঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে পুরসভাতেও অভিযোগ জানাবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন। বিধায়কের দাবি, কিছুদিন আগেই সমস্ত সরকারি ঠিকাদারকে নিয়ে বৈঠক করা হয়েছিল। সেখানে সবাইকে বলা হয়েছে কোনো নেতাকে ঘুষ দিতে হবে না। সরকারি টাকায় জনগণের জন্য ভালো করে কাজ করুন। এখানে তা হচ্ছে না।’ বিধায়কের দাবি, ‘সরকারি টাকা মানে কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। এটা মানুষের টাকা। প্রতিটি টাকার হিসাব মানুষকে দিতে হবে।’
তিনি জানান, বিগত সরকারের আমলে বিধাননগর পুরসভা এলাকায় জলজীবন মিশনের কাজের জন্য প্রায় ৩০০ কোটি টাকার টেন্ডার হয়েছিল। পরবর্তীকালে সেই কাজের একাধিক সাব টেন্ডার হয় এবং বিভিন্ন সংস্থা ও ঠিকাদার কাজ শুরু করে। নিয়ম অনুযায়ী, জলের পাইপ রাস্তার প্রায় এক মিটার নীচে বসানোর কথা। অথচ বিভিন্ন জায়গা পরিদর্শন করে দেখা যাচ্ছে, কোথাও কোথাও সেই পাইপ এক ফুটেরও কম গভীরতায় বসানো হয়েছে। কিছুদিন পর পাইপ নষ্ট হবে। আবার রাস্তা খোঁড়া হবে। আবার কাজ হবে। আবার সরকারি টাকা খরচ হবে। এই চক্র আর চলতে দেওয়া যায় না।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ