Bartaman Logo
৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দীর্ঘকাল কাজ বন্ধে বুলেভার্ডে আগাছা, অর্ধসমাপ্ত অবস্থায় পড়ে জলাধার-পাম্পিং স্টেশন

প্রশস্ত ই এম বাইপাসের মাঝে বুলেভার্ড বদলে তৈরি হওয়ার কথা ছিল পানীয় জলের জলাধার-বুস্টার পাম্পিং স্টেশন।

দীর্ঘকাল কাজ বন্ধে বুলেভার্ডে আগাছা, অর্ধসমাপ্ত অবস্থায় পড়ে জলাধার-পাম্পিং স্টেশন
  • ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব কলকাতা, কলকাতা: প্রশস্ত ই এম বাইপাসের মাঝে বুলেভার্ড বদলে তৈরি হওয়ার কথা ছিল পানীয় জলের জলাধার-বুস্টার পাম্পিং স্টেশন। তবে সে কাজের ক্ষেত্রে আপত্তি উঠেছিল। ই এম বাইপাসে ভারী যানবাহন চলাচল করে। সেখানে রাস্তার মাঝ বরাবর লম্বালম্বি ভূগর্ভস্থ জলাধার কতটা সুরক্ষিত থাকবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তবুও অর্থবরাদ্দ হয়েছিল। কাজও শুরু হয়েছিল। কিন্তু এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সেই কাজ বন্ধ হয়ে পড়ে আছে বলে অভিযোগ। পঞ্চসায়রে সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইনস্টিটিউটের (এসআরএফটিআই) সামনে অর্ধসমাপ্ত সেই জলাধারের কাঠামো পড়ে রয়েছে। কংক্রিটের স্ট্রাকচারে গাছপালা গজিয়েছে। ধরেছে আগাছা। এই প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে সন্দিহান পুরসভার আধিকারিকরাই।

Advertisement

কয়েক বছর আগে সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইনস্টিটিউটের প্রায় সামনে রাস্তার মাঝামাঝি লম্বা অংশে থাকা বুলেভার্ড তুলে দিয়ে সেখানে পাম্পিং স্টেশন এবং ভূগর্ভস্থ জলাধার নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নেয় কলকাতা পুরসভা। অজয়নগর মোড় থেকে খানিক এগিয়ে সেই কাজ শুরু হয়েছিল। রাস্তার মাঝ বরাবর সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইনস্টিটিউটের কিছুটা আগে পর্যন্ত সেই কংক্রিটের কাঠামো বানানো হয়েছে। কিন্তু আচমকা সেই কাজ থমকে যায়। বর্তমানে সেখানে গিয়ে দেখা গিয়েছে, জলাধারের জন্য কংক্রিটের লম্বালম্বি সরু ঘর বা কাঠামো নির্মাণ হয়েছে। কিন্তু ওইটুকুই। ওভাবেই রাস্তার মধ্যবর্তী স্থানে রয়েছে অর্ধসমাপ্ত নির্মাণটি। কিছুটা অংশ ফাঁকা। সেখান দিয়ে বৃষ্টির জল কংক্রিটের কাঠামোর ভিতর জমা হচ্ছে। ডেঙ্গুর লার্ভা সেই জমা জলে জন্মানোর আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিজাত একটি আবাসনের বাসিন্দারা বলেন, বহুকাল ধরেই এই কাজ বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। কেন বন্ধ, কবে কাজ হবে, কবে এই জলাধার চালু হবে তা ভগবান জানে। আমাদের এখানে পানীয় জলের সমস্যা রয়েছে। সেই সমস্যা মেটাতে এই কাজ শুরু হয়েছিল বলে শুনেছিলাম। পুরসভার জল সরবরাহ বিভাগ জানিয়েছে, ধাপা জলপ্রকল্প থেকে ওই জলাধারে পানীয় জল আসার কথা ছিল। তারপর সেই জল সংলগ্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হত। কিন্তু কিছু জটিলতায় কাজ থমকে গিয়েছে। কবে শুরু করা যাবে তা নিয়েও ধোঁয়াশা রয়েছে।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ