নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতার বাজি বাজারগুলিতে কেনাকাটা শুরু হয়ে গিয়েছে। চলতি বছর চোরবাগানের ঘটনার পর বাড়তি সতর্কতা নিচ্ছে বাজার কমিটিগুলি। আগুন নির্বাপণে মাঠের মাঝে রাখা বিশেষ ধরনের জল কামান। অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার নবতম সংযোজন হল এই যন্ত্র, জানালেন দমকলকর্মীরা। মাঠে কামানের মতো তাক করে থাকা যন্ত্রটির নাম ‘সেলফ স্ট্যান্ডিং মনিটর’। এক দমকলকর্মী জানালেন, ওটিতে সবসময় জলের সংযোগ থাকে। ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে কাজ করতে পারে যন্ত্রটি। শহিদ মিনার, কালিকাপুর সহ বিভিন্ন বাজি বাজারের মাঠের মাঝখানে ওরকম একাধিক যন্ত্র রাখা হয়েছে। চোরবাগানের ঘটনার পর বাড়তি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে সেগুলি রাখা। এছাড়া প্রতিটি স্টলের মাঝে রাখা হয়েছে পর্যাপ্ত জায়গা। যেখানে প্রয়োজন সেখানে একাধিক নির্গমণ পথ তৈরি করা হয়েছে। এছাড়াও প্রতিটি বাজারের বাইরে সারাক্ষণ ফায়ার বাইক, ইঞ্জিন রাখা থাকছে। দমকলের কর্মীরাও রয়েছেন তত্পর।
অন্যদিকে সবুজ বাজি চেনার কিউ আর কোড নিয়ে পরিবেশকর্মীরা ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, প্রস্তুতকারী সংস্থা নয়, বাজিকে দেওয়া হয় অনুমোদন। সেক্ষেত্রে প্রস্তুতকারী সংস্থার নামের তালিকা ঝুলিয়ে দেওয়ার পদ্ধতি মেনে নিচ্ছেন না তাঁরা। যদিও শহিদ মিনারের বাজি বাজারের অন্যতম উদ্যোক্তা শান্তনু দত্ত। তিনি ‘বর্তমান’-এ প্রকাশিত পরিবেশকর্মী নব দত্তর মন্তব্যের বিরোধিতা করেছেন। বড়বাজার ফায়ার ওয়ার্কস ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের কর্তা শান্তনুবাবু বলেন, ‘কোনো বাজিকে শংসাপত্র দেওয়া হয় আর প্রস্তুতকারক সংস্থাকে শংসাপত্র দেওয়া হয় না, এটা একেবারেই ভুল তথ্য। বাজির কম্পোজিশন সবার ক্ষেত্রে সমান। পুরানো পদ্ধতিতে হাতে তৈরির ক্ষেত্রে উনিশ-বিশ হতে পারে। এছাড়া প্রতিটি কম্পোজিশনের ক্ষেত্রে আলাদা শংসাপত্র হয়।’ নিজস্ব চিত্র



