Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পড়ুয়াদের নিয়ম করে জল খাওয়াতে ওয়াটার বেল

তাপমাত্রা যখন চল্লিশ ছুঁই ছুঁই সেই সময়ে শিক্ষার্থীদের শরীরে জলের সমতা বজায় রাখতে স্কুলে শুরু হল ওয়াটার বেল

পড়ুয়াদের নিয়ম করে জল খাওয়াতে ওয়াটার বেল
  • ২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা,খাতড়া: তাপমাত্রা যখন চল্লিশ ছুঁই ছুঁই সেই সময়ে শিক্ষার্থীদের শরীরে জলের সমতা বজায় রাখতে স্কুলে শুরু হল ওয়াটার বেল। নির্দিষ্ট সময়ে বেল বাজতেই শিমূল-পলাশ সাংস্কৃতিক সভাকক্ষে উৎসবের মেজাজে জলপান করতে অংশ নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। এই চিত্র জেলার জঙ্গলমহলের রাইপুর ব্লকের চাতরী নিম্ন বুনিয়াদী আবাসিক স্কুলের। বিদ্যালয়ের এই কর্মকান্ডে খুশি শিক্ষার্থীদের অভিভাবক সহ স্থানীয় মানুষ।

Advertisement

বর্তমানে বাঁকুড়ায় অসহ্য ভ্যাপসা গরম রয়েছে। এই গরম থেকে বাঁচতে জেলার বাসিন্দারা বারে বারে ঠান্ডা পানীয় সহ ডাবের জল পান করছেন।  প্রয়োজন ছাড়া বাড়িতেই থাকছেন জেলাবাসী। নিয়ম মতো জলপান না করায় এই সময়ে ফের দেখা দিচ্ছে শরীরে জলশূন্যতা। এসব ভেবেই রাইপুর ব্লকের চাতরী নিম্নবুনিয়াদী আবাসিক  বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য শুরু করল ‘ওয়াটার বেল’। লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের শরীরে জলের সমতা রাখা। স্কুল শুরুর পর পঠন পাঠনের মধ্যেই প্রতি এক ঘণ্টা অন্তর অন্তর বেজে উঠছে বেল। ঘণ্টার আওয়াজ শুনে সব শিক্ষার্থীরা শিমূল পলাশ সাংস্কৃতিক সভা কক্ষে উপস্থিত হচ্ছে। পরে সবাই জলের গ্লাস হাতে নিয়ে পান করছে। তীব্র গরমে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান সব অভিভাবক সহ স্থানীয়রা। 
স্কুলের লক্ষ্মীমনি মুর্মু নামে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রী জানায় স্কুলে এই ওয়াটার বেলের জন্য আমরা নিয়ম করে এক ঘণ্টা পর পর জল খেতে পারছি। নিজেরাই নিজেদের সুস্থ রাখছি। 
চাতরী নিম্ন বুনিয়াদি আবাসিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক উত্তম কুমার মণ্ডল বলেন আমার স্কুলে প্রি-প্রাইমারি থেকে পঞ্চম পর্যন্ত মোট ২৪০ জন ছাত্রছাত্রী রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে গ্রীষ্মের দাবদাহ বেড়ে যাওয়ার কারণে নির্দিষ্ট পরিমাণে জল পান না করায় অনেক পড়ুয়ার শরীরে  জলশূন্যতা দেখা দিচ্ছে। ফলে বাচ্চাগুলো অসুস্থ হয়ে পড়ছে। সে কথা মাথায় রেখেই স্কুলের শিক্ষার্থীদের শরীরে জলের সমতা বজায় রাখতে এবং এই গ্রীষ্মে শিক্ষার্থীদের শরীর সুস্থ রাখতে ওয়াটার বেল শুরু হয়েছে। বেলা ১১টা পনেরো থেকে  ৩টে পনেরো পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে মোট পাঁচবার বেল দেওয়া হয়। বেল দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শিমুল পলাশ সাংস্কৃতিক সভা কক্ষে গিয়ে জল খাচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ