Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জলপানের সময় জানাচ্ছে ‘ওয়াটার বেল’, পড়ুয়াদের সুস্থ রাখতে অভিনব ব্যবস্থা বসিরহাটের স্কুলে

‘বাজল ছুটির ঘণ্টা...’ কমবেশি অনেকেই গানটির সঙ্গে পরিচিত। বিদ্যালয়ে ছুটির ঘণ্টা শুনলে অনেক ছাত্র-ছাত্রীরই গানটির লাইনগুলি মনে পড়ে। তবে একটি ঘটনার পর একটি স্কুলের পড়ুয়ারা গানটির শব্দগুলি নিয়েছে একটু পাল্টে।

জলপানের সময় জানাচ্ছে ‘ওয়াটার বেল’, পড়ুয়াদের সুস্থ রাখতে অভিনব ব্যবস্থা বসিরহাটের স্কুলে
  • ১৮ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: ‘বাজল ছুটির ঘণ্টা...’ কমবেশি অনেকেই গানটির সঙ্গে পরিচিত। বিদ্যালয়ে ছুটির ঘণ্টা শুনলে অনেক ছাত্র-ছাত্রীরই গানটির লাইনগুলি মনে পড়ে। তবে একটি ঘটনার পর একটি স্কুলের পড়ুয়ারা গানটির শব্দগুলি নিয়েছে একটু পাল্টে। এখন তাদের মুখে মুখে ফিরছে, ‘বাজল জলের ঘণ্টা।’ সে ঘণ্টা প্রতিদিন দু’বার করে বাজছে চেনা সময়ের বাইরে, অসময়ে। বসিরহাটের মালতিপুর হাইস্কুলে ঘণ্টার শব্দ শুনে ওয়াটার বটলের ছিপি খুলছে পড়ুয়ারা। 

Advertisement

ঘণ্টাধ্বনি শুনে অভিভাবকরাও অবাক হচ্ছেন। স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। স্কুল জানিয়েছে, ঘণ্টাধ্বনি আসলে পড়ুয়াদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন করছে। পানীয় জল খাওয়ার সময় হয়ে গিয়েছে, এ কথা জানাতেই বাজছে ঘণ্টা। শুনেই অভিভাবকরা অবাক। আর পড়ুয়াদের প্রতি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দায়িত্বশীল মনোভাব খুশিও করেছে তাঁদের।
গরম সঙ্গে আর্দ্রতাজনিত প্রবল অস্বস্তি। পড়ুয়ারা যাতে ঘেমেনেয়ে অসুস্থ হয়ে না পড়ে তার জন্য অভিনব উদ্যোগ মালতিপুর হাইস্কুলের। ক্লাস চলাকালীন ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নিয়ম, অন্তত দু’বার জলপান করতেই হবে। এর জন্যই চালু হয়েছে ‘ওয়াটার বেল’। ক্লাস শুরু বা শেষ হওয়ার ঘণ্টার পাশাপাশি চেনা সময়ের বাইরে স্কুলে প্রতিদিন দু’বার করে ঘণ্টা বাজছে। প্রথমটি দুপুর সাড়ে বারোটায়। দ্বিতীয় বেলটি বাজছে বিকেল তিনটের সময়। তখন শিক্ষক-শিক্ষিকারা দাঁড়িয়ে থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের জল খেতে বলছেন। স্কুলের প্রধান শিক্ষক শাহনাওয়াজ হোসেন বলেন, ‘প্রচণ্ড গরম বা চরম আর্দ্রতায় যাতে কোনও পড়ুয়া অসুস্থ হয়ে না পড়ে তার জন্য আমরা দিনে দু’বার জলপানের নিয়ম চালু করেছি। ওয়াটার বেল বাজানো হলে সবাই জল খাচ্ছে। প্রয়োজনমত জল খেলে তারা সুস্থ থাকবে। সন্তানসম পড়ুয়াদের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখেই এই ভাবনা নেওয়া হয়েছে।’ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র সন্দীপ ঘোষ ও ছাত্রী সোনা পারভিন বলে, ‘গরম থেকে রেহাই পেতে স্যার ও ম্যামরা আমাদের দু’বার জলপানের বিরতি দিতে ওয়াটার বেল চালু করেছেন। ঘণ্টা বাজলেই আমরা সবাই জল খেয়ে নিচ্ছি। ফলে সুস্থভাবে ক্লাসও করতে পারছি।’  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ