সংবাদদাতা, লালবাগ: শখের বাগানে একাধিক বিদেশি ভ্যারাইটির কমলালেবু ও মোসাম্বি ফলিয়ে তাক লাগালেন ভগবানগোলা থানার বর্ষাতিগোলার ওয়াসিম রাজা। গুটিকয়েক দেশি ভ্যারাইটিও রয়েছে। বর্ষাতিগোলার এই বাগানে রয়েছে কিন্নু, পাও কিন্নু, অ্যাফোরার মান্ডারিন, এমপিআর মান্ডারিন, ডেজি, নাগপুর সহ কমলালেবুর ১০-১২টি ভ্যারাইটি। কমলালেবুর পাশাপাশি রয়েছে কাটল গোল্ড(থাইল্যান্ড), ফুলে, গোল্ডেন, নিউ সেলার, ভ্যালেনাসিয়া সহ ১৮-২০রকম বিদেশি ভ্যারাইটির মোসাম্বি। গাছ মোসাম্বি ও কমলালেবুতে ভরে উঠতেই বর্ষাতিগোলার ওয়াসিম রাজার বাগান ভগবানগোলা সহ পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দাদের কাছে দর্শনীয় হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন সকাল-বিকেল উৎসুক এলাকার অনেকে ভিড় জমাচ্ছেন। অনেকে আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার জন্য বাগানে রিলস বানাচ্ছেন ও সেলফি তুলছেন।
ওয়াসিম রাজা পেশায় একজন সরকারি ঠিকাদার। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিদেশি ভ্যারাইটির কমলালেবু ও মোসাম্বি সংক্রান্ত বিভিন্ন ভিডিও দেখে বাগান গড়ে তোলার ইচ্ছে জাগে। মনের মধ্যে থাকা সুপ্ত ইচ্ছের তাগিদেই শখের বাগান গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেন। তিন বছর আগে বর্ষাতিগোলায় দু’বিঘা জমিতে বাগান তৈরির কাজ শুরু হয়। একে একে বাগানে রোপণ করা হয় বিদেশি ভ্যারাইটির মোসাম্বি ও কমলালেবুর চারা। গতবছর থেকে প্রতিটি লেবুগাছ ফলন দিতে শুরু করেছে। চলতি বছর প্রচুর ফলন হয়েছে। লেবুর ভারে ঝুলে পড়েছে গাছের ডাল। ওয়াসিম পেশাগত কারণে বেশিরভাগ দিন বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ান। তা সত্ত্বেও সময় পেলেই শখের বাগানে চলে আসেন। নিজের হাতে লাগানো গাছগুলির পরিচর্চায় বেশ কিছুটা সময় কাটান। ওয়াসিম বলেন, বাগানটা আমার ভালবাসার জায়গা। মানুষ যখন বাগান দেখতে ছুটে আসেন তখন খুব ভালো লাগে। তাঁর স্ত্রী সারিকা খাতুন বলেন, প্রথমদিকে বাগান তৈরিতে সায় ছিল না। তবে সময়ের সঙ্গে ওই বাগান ভালবেসে ফেলেছি। মাঝেমধ্যে আমিও বাগানে এসে কিছুটা সময় কাটাই।



