


ওয়াশিংটন: ভারতের ‘বন্ধু’ত্ব আমেরিকার কাছে অপরিসীম। আর সেই কারণেই ভারতকে সাময়িকভাবে রুশ তেল কেনার অনুমতি দিয়েছে আমেরিকা। বুধবার এই মন্তব্য করেছেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট। তিনি বলেন, এই ছাড় শর্তসাপেক্ষে। ইতিমধ্যে যে তেল জাহাজে তোলা হয়েছে, শুধু সেই তেলই কিনতে পারবে ভারত। উল্লেখ্য, ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই রাশিয়ার থেকে তেল কেনা নিয়ে ভারতের সামলোচনা করে চলেছে ওয়াশিংটন। তবে সব কিছুকে ছাপিয়ে যায় রুশ তেল কেনার ‘শাস্তি’ হিসাবে দিল্লির উপর ওয়াশিংটনের অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক। যার ফলে ভারতের উপর সর্বাধিক ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপে। এই শুল্কের নাগপাশ থেকে বেরিয়ে আসতে আমেরিকার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি (বিটিএ) সারে ভারত। তার অন্যতম শর্ত, মস্কো থেকে তেল কেনা বন্ধ করতে হবে নয়াদিল্লিকে। তবে ইরান যুদ্ধ সব হিসাবনিকেশ উলটে দেয়। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ায় ভারতে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। এই অবস্থায় জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ভারতকে ছাড় দেওয়া হল। ক্যারোলিন লেভিট বলেন, ভারতের এই সাময়িক ছাড়ে মোটেই আর্থিকভাবে উপকৃত হবে না রাশিয়া।
অশান্ত পশ্চিম এশিয়া কতদিনে স্বাভাবিক হবে, তার কোনো অনিশ্চয়তা নেই। সারা বিশ্বেই জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম বাড়তে শুরু করেছে। এই অবস্থায় বুধবার রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের বিদেশ নীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কল্লসকে ফোন করলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। সোশ্যাল মিডিয়ায় জয়শংকর জানিয়েছেন, পশ্চিম এশিয়ার বিবাদ নিয়ে আমাদের মূল্যায়ন এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টার কথা জানিয়েছি। পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়েও কথা হয়েছে।