Bartaman Logo
৯ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ওয়েভার স্কিম শুরু হচ্ছে আজই, প্রায় ৭৮৪ কোটি টাকা কর আদায়ের আশা

কলকাতা পুরসভার সম্পত্তি করদাতাদের জন্য সুখবর! বকেয়া সম্পত্তি কর মেটাতে চালু হল ওয়েভার স্কিম। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে পুরসভার প্রশাসক স্মিতা পান্ডে জানিয়েছেন, আজ, শুক্রবার থেকেই ওয়েভার স্কিমের সুবিধা মিলবে।

ওয়েভার স্কিম শুরু হচ্ছে আজই, প্রায় ৭৮৪ কোটি টাকা কর আদায়ের আশা
  • ৯ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতা পুরসভার সম্পত্তি করদাতাদের জন্য সুখবর! বকেয়া সম্পত্তি কর মেটাতে চালু হল ওয়েভার স্কিম। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে পুরসভার প্রশাসক স্মিতা পান্ডে জানিয়েছেন, আজ, শুক্রবার থেকেই ওয়েভার স্কিমের সুবিধা মিলবে। সংবাদপত্র ও পুরসভার ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দেওয়া হবে। সেখানে থাকবে একটি কিউআর কোড। তা স্ক্যান করে সরাসরি পুরসভার ওয়েবসাইটে ওয়েভার সংক্রান্ত অ্যাপ্লিকেশনে চলে যাওয়া যাবে। পাশাপাশি, পুরসভার রাজস্ব আদায় বিভাগের যে সমস্ত অফিস রয়েছে, সেখানে গিয়েও ওয়েভার স্কিমের সুবিধা নিতে পারবেন নাগরিকরা। এবার ওয়েভার স্কিম থেকে অন্তত ৭৮৪ কোটি টাকা রাজস্ব প্রাপ্তির আশা করছে পুর কর্তৃপক্ষ। তবে, চলতি অর্থবর্ষে সম্পত্তি কর খাতে এখনও পর্যন্ত যে ৪০-৫০ কোটি টাকা রাজস্ব ঘাটতি চলছে, তা পূরণ করতে এই ওয়েভার স্কিম কাজে আসবে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।

Advertisement

উল্লেখ্য, বুধবার কলকাতা পুরসভা এলাকার সম্পত্তি করদাতাদের সুখবর শুনিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমস্ত সরকারি, বেসরকারি ও ব্যক্তিগত মালিকানার সম্পত্তি এবং সরকারের আন্ডারটেকিং সম্পত্তিতে বকেয়া করের উপর সুদ ও জরিমানার উপর ১০০ শতাংশ ছাড় মিলবে। কোনো সম্পত্তিতে যদি বসবাস ও ব্যবসা একসঙ্গে চলে, সেক্ষেত্রে সুদের উপর ৮০ শতাংশ এবং জরিমানায় ৯৯ শতাংশ ছাড় মিলবে। সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত সম্পত্তির ক্ষেত্রে সুদের উপর ৭০ শতাংশ এবং জরিমানার উপর ৯৯ শতাংশ ছাড় পাওয়া যাবে। আগামী, ছ’মাসের (৩১ মার্চ, ২০২৭) মধ্যে বকেয়া মেটাতে চাইলে তবেই মিলবে এই ছাড়। তবে এই সময়ের মধ্যে কিস্তিতে টাকা মেটানোর সুযোগ পাওয়া যাবে। স্মিতা পান্ডে বলেন, সম্পত্তি কর সংক্রান্ত বহু মামলা আদালতে ঝুলছে। কোনো সম্পত্তি করদাতা মামলা করে থাকেন এবং তিনি যদি ওয়েভারের সুবিধা পেতে চান, তাহলে তাঁকে আগে মামলা তুলে নিতে হবে। এ কারণে পুরসভার কেন্দ্রীয় অফিসের পাশাপাশি রাজস্ব আদায় বিভাগের বিভিন্ন অফিসেও নাগরিকদের সাহায্য করার জন্য হেল্প ডেস্ক থাকবে। বাসিন্দারা যাতে বেশি বেশি করে ওয়েভারের সুবিধা নিতে পারেন, তার জন্য লাগাতার প্রচার চালানো হবে। মাইকিং চলবে।
পুর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ছ’মাসের সময়সীমা পেরনোর পরেও প্রয়োজনে আরও দু’মাস ওয়েভার স্কিম চালানো হতে পারে। এ ব্যাপারে পরবর্তীকালে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে বেসরকারি সম্পত্তি হলে সুদে ছাড়ের পরিমাণ কমে ৬০ শতাংশ করা হতে পারে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ