প্রাইরা: আর্জেন্তিনার কাছে ‘রাউন্ড অব ৩২’এ হারলেও বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত কেপ ভার্দের লড়াই। বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশ নেওয়া আফ্রিকার ছোট্ট দেশটি লায়োনেল মেসিদের বিরুদ্ধে যে লড়াই মেলে ধরেছে, তাতে বিশেষজ্ঞরা মুগ্ধ।। বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের দুটো গোলও দিয়েছে তারা। হারলেও তাই কেপ ভার্দের সমর্থকরা ছিলেন উচ্ছ্বসিত। তারই প্রতিফলন দেখা গেল প্রাইরা বিমানবন্দরে। দেশে ফিরে বীরের সংবর্ধনা পেলেন ভোজিনহারা। বিমান অবতরণের পর ফুটবলারদের সম্মান জানাতে মাটিতে শুয়ে পড়েন এয়ারপোর্টের কর্মীরা। দু’হাত শূন্যে ঝাঁকিয়ে উল্লাস প্রকাশ করেন। ফুটবলাররা বিমান থেকে আসার মুহূর্ত হাততালি দিতে থাকেন তাঁরা।
ঘটনাচক্রে রবিবারই আবার কেপ ভার্দের ৫১তম স্বাধীনতা দিবস। সেদিনই ঘরে ফিরলেন বিশ্বকাপে সাড়া ফেলে দেওয়া ফুটবলাররা। ফলে স্বাধীনতার উৎসব আরও জমকালো হয়ে ওঠে। বিমানবন্দরের বাইরে হাজির ছিলেন হাজার হাজার ফুটবলপ্রেমী। তাঁদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা। অনেকেই পরেন জার্সি। বিমানবন্দর থেকে ফুটবলারদের বহন করা গাড়িকে ঘিরে উচ্ছ্বাস দেখাতে থাকেন সকলে। ভোজিনহাদের নাম ধরে চলে জয়ধ্বনি। গ্রুপ পর্বে স্পেন ও উরুগুয়েকে আটকে দেওয়ার মধ্যেও নজর কেড়েছেন ফুটবলাররা। কার্যত বিশ্বফুটবল মানচিত্রে কেপ ভার্দেকে সমীহজাগানো শক্তি হিসেবেই মেলে ধরেছেন তাঁরা। মেসি ব্রিগেডের বিরুদ্ধে হার-না-মানা লড়াই আগামী প্রজন্মের কাছেও হয়ে উঠেছে অনুপ্রেরণা। সেজন্যই বীরের সংবর্ধনা পেলেন ভোজিনহারা।