নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এ যেন স্কুলপড়ুয়াদের ‘শার্ক ট্যাঙ্ক’। প্রযুক্তি, ব্যবসায়িক উদ্যোগ, জলবায়ু, জননীতি, পররাষ্ট্রনীতি প্রভৃতি বিষয়ে স্কুলপড়ুয়াদের বিভিন্ন প্রস্তাব প্রকল্প শুনবেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিশিষ্টরা। আর বিজয়ীরা পুরস্কারের পাশাপাশি পাবে মূলধনী সাহায্য, প্রশিক্ষণ, মেন্টরশিপ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সাহায্য। এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে ‘ভয়েজ অব ইয়ুথ’ নামে একটি টিনএজারদের মঞ্চ। সারা দেশে অনলাইনে আবেদন বাছাইয়ের পরে, ১ এবং ২ আগস্ট কলকাতায় ‘স্বভূমি’র রাজকুটিরে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে প্রতিযোগিতা।
ভয়েজ অব ইয়ুথের প্রতিষ্ঠাতা মনন বাগরেচা কলকাতার লা মার্টিনিয়ের স্কুল ফর বয়েজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র। বুধবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিল মনন এবং তার বন্ধুরা। তারাও কলকাতারই বিভিন্ন স্কুলের পড়ুয়া এবং অর্গানাইজিং কমিটির সদস্য। ইভেন্টের জন্য রীতিমতো বিরাট স্পনসর জোগাড় করে ফেলেছে তারা। পাশে পেয়েছেন শিল্পপতি হর্ষবর্ধন নেওটিয়াকেও। মনন জানান, তাঁর সঙ্গে একটি আলাপচারিতাও থাকছে মূল ইভেন্টে। সেখানে তিনি বাণিজ্যিক উদ্যোগ, নেতৃত্বপ্রদান, উদ্ভাবন এবং দেশগঠন নিয়ে তাঁর অভিমত জানাবেন। উদ্যোক্তাদের দাবি, স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে থেকেই উঠে আসতে পারে নানা জটিল সমস্যার সমাধান। তারাই ভবিষ্যতে দেশকে নেতৃত্ব দেবে। তাই, স্কুলপড়ুয়া মানেই তাদের হালকাভাবে নেওয়া উচিত হবে না।
স্কুল পড়ুয়াদের এই প্রস্তাবগুলি পর্যালোচনা করবেন জুরি সদস্যরা। তাঁরা সেগুলির ব্যয়, সামাজিক গুরুত্ব, কার্যকারিতা বিশ্লেষণ করে বেছে নেবেন। সেই অনুযায়ী মূলধনী সাহায্য, মেন্টরশিপ, ইনকিউবেশনের সহায়তা কারা পাবে, তা ঠিক হবে।