Bartaman Logo
৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বিশ্বভারতী ও সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের মউ স্বাক্ষর

শিক্ষা, গবেষণা ও শিল্পকলার ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করতে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ও কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (এসআরএফটিআই)-এর মধ্যে একটি মউ স্বাক্ষরিত হল।

বিশ্বভারতী ও সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের মউ স্বাক্ষর
  • ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বোলপুর: শিক্ষা, গবেষণা ও শিল্পকলার ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করতে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ও কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (এসআরএফটিআই)-এর মধ্যে একটি মউ স্বাক্ষরিত হল। বুধবার বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই মউ স্বাক্ষর হয়।  উপস্থিত ছিলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য অধ্যাপক প্রবীর কুমার ঘোষ, এসআরএফটিআই-এর উপাচার্য অধ্যাপক সমীরণ দত্ত, বিশ্বভারতীর কর্ম সচিব বিকাশ মুখোপাধ্যায়, সঙ্গীত ভবনের অধ্যক্ষ অধ্যাপক শ্রুতি বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ একাধিক ভবনের অধ্যক্ষ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আধিকারিকরা।

Advertisement

মউয়ের  মাধ্যমে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, কর্মশালা ও যৌথ অ্যাকাডেমিক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রাথমিক রূপরেখা তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। চলচ্চিত্র, মিডিয়া, শিল্পকলা ও মানববিদ্যার বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছাত্র ও শিক্ষকদের পারস্পরিক আদান-প্রদান, যৌথ প্রকল্প এবং অভিন্ন বিদ্যাচর্চার সুযোগ তৈরি হবে বলেও জানান কর্তৃপক্ষ। তাঁদের মতে, বিশ্বখ্যাত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্র ভাবনা ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্বজনীন শিক্ষার আদর্শ এই দুই ঐতিহ্যের মিলনে সিনেমা, সংস্কৃতি ও শিল্পকলার ক্ষেত্রে এক নতুন সৃজনশীল রূপরেখা গড়ে উঠবে বলে দু’পক্ষই আশাবাদী।

এসআরএফটিআই-এর উপাচার্য, অধ্যাপক সমীরণ দত্ত বলেন, ‘আমরা মূলত সিনেমা নির্মাণের উপর প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকি। তবে সিনেমা একটি সমন্বিত শিল্পমাধ্যম হওয়ায় এর সঙ্গে সংগীত, অভিনয়, চিত্রকলা সহ বিভিন্ন শাখার নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে। বিশ্বভারতীতে এই বিষয়গুলি আলাদা আলাদা কোর্সের মাধ্যমে পড়ানো হয়। সেই সব কোর্সে যুক্ত পড়ুয়ারা আমাদের প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহযোগিতা পেতে পারেন। আগেও আমরা বিশ্বভারতীর কলাভবনে এই ধরনের একাধিক ক্লাস নিয়েছি। এছাড়াও বর্তমান সময়ে ইন্টার-ডিসিপ্লিনারি বিষয়ে কাজ করার সুযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেউ সিনেমা নিয়ে, কেউ থিয়েটার নিয়ে কাজ করছেন—এই দুই ধারার মানুষ একসঙ্গে কাজ করলে নতুন দিশা তৈরি হতে পারে। খুব শীঘ্রই বৈঠকের মাধ্যমে নতুন কোর্স চালুর পরিকল্পনাও নেওয়া হবে।’ বিশ্বভারতীর উপাচার্য প্রবীর কুমার ঘোষ বলেন, ‘এই মউ চুক্তিতে উপকৃত হবেন পড়ুয়ারা৷ নতুন নতুন অনেক কিছু শিখতে পারবেন৷ তাদের কর্মসংস্থান হবে। আর বিশ্বভারতীতে নতুন স্টুডিও তৈরি হবে। আমাদের পড়ুয়ারা নাটক, নৃত্য নিয়ে নিয়মিত কাজ করেন। সাংবাদিকতা বিভাগের ছেলেমেয়েরা বিভিন্ন ভিডিও অডিও তৈরি করেন। তাঁদের ক্ষেত্রে অনেক সুবিধা হল৷ আর সত্যজিৎ রায় ফিল্ম এণ্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট খুবই নামি প্রতিষ্ঠান। তারা আমাদের পথ দেখাতে পারবে। কিভাবে ফিল্ম সংক্রান্ত কাজ করা যায়, কিভাবে স্টুডিও ব্যবহার করতে হয়—এসব কিছুই।’  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ