Bartaman Logo
৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের নানা সমস্যা মেটাতে উদ্যোগী হল প্রশাসন

রঘুনাথপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের নানা সমস্যা সমাধানে প্রশাসন উদ্যোগী হয়েছে। রোগীদের জন্য উন্নত পরিষেবা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বিস্তারিত পড়ুন।

সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের নানা সমস্যা মেটাতে উদ্যোগী হল প্রশাসন
  • ৬ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: রঘুনাথপুর সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালজুড়ে যেখানে সেখানে আবর্জনা পড়ে রয়েছে। হাসপাতালে নির্দিষ্ট পার্কিং জোন নেই। রোগীর পরিজনদের জন্য বাইরে কোনো প্রতীক্ষালয়, শৌচাগার নেই। পানীয় জলের সমস্যাও রয়েছে। সম্প্রতি রোগীকল্যাণ সমিতির বৈঠকে এমনই নানা বিষয়ে উঠে আসে।

Advertisement

মহকুমা শাসক মিঠুন বিশ্বাস বলেন, হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে ওই বৈঠক হয়েছে। কিছু বিভাগে শয্যাসংখ্যা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এসএনসিইউর কিছু উন্নতি করা প্রয়োজন। সিটি স্ক্যান সহ বেশ কিছু রোগনির্ণয়ের ব্যবস্থা করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বাইরে শৌচাগারের সমস্যারও তাড়াতাড়ি সমাধান করা হবে।
মাস খানেক আগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দুর্গাপুরে প্রশাসনিক বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে জেলাশাসকদের পাশাপাশি বিধায়কদের নির্দেশ দেন, প্রতিটি হাসপাতালে রোগীকল্যাণ সমিতির সঙ্গে বৈঠক করতে হবে। হাসপাতালে কী সমস্যা রয়েছে, মানুষ কেমন পরিষেবা পাচ্ছেন, কী কী উন্নতিকরণ আশু প্রয়োজন-সেসব বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতেও বলা হয়। সেই বৈঠকেই সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা উঠে আসে।
এই হাসপাতালে যেখানে সেখানে আবর্জনা ও ঝোপজঙ্গল রয়েছে। পার্কিং জোন না থাকায় হাসপাতাল চত্বরে ছ‌঩ড়িয়ে ছিটিয়ে গাড়ি রাখা হয়। রোগীর আত্মীয়দের জন্য পরিস্রুত পানীয় জলের ব্যবস্থা নেই। লিফটের সমস্যা রয়েছে। একটি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে যে সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার যন্ত্র প্রয়োজন, তাও নেই। হাসপাতালে দালালরাজ চলে।
রোগীদের অভিযোগ, হাসপাতালে সবসময় চিকিৎসক পাওয়া যায় না। জরুরি বিভাগে ভরতি রোগীদের দেখতে ডাক্তাররা প্রায়ই আসেন না। কোনোদিন একবার রাউন্ড দিয়ে চলে যান। বেশিরভাগ ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হয়। পর্যাপ্ত শয্যার অভাবে একটি বেডে দু’-তিনজন করেও থাকতে হয়। হাসপাতালের খাবারের মানও নিম্নমানের।
পাড়ার বিধায়ক নদিয়ারচাঁদ বাউরি বলেন, তৃণমূল সরকার গত ১৫বছরের শাসনে হাসপাতালগুলিকে বেহাল করে ফেলেছে। সেগুলির হাল ফেরাতে আমরা তৎপর হয়েছি। আমাদের কয়েকটা মাস সময় দিন। আগামী দিনে মানুষ নার্সিংহোমের চেয়ে ভালো চিকিৎসা সরকারি হাসপাতালে পাবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ