Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বারাকপুর, চুঁচুড়াজুড়ে বিশ্বকর্মা পুজোর রমরমা, বনগাঁয় থিম ভিনরাজ্যে পরিযায়ী নিগ্রহ

বিশ্বকর্মা পুজোয় থিমে চমক দিল বনগাঁ। উঠে এল পরিযায়ী শ্রমিকদের কথা। সাম্প্রতিক কালে অন্য রাজ্যে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর অত্যাচারের ছবি সামনে এসেছে।

বারাকপুর, চুঁচুড়াজুড়ে বিশ্বকর্মা পুজোর রমরমা, বনগাঁয় থিম ভিনরাজ্যে পরিযায়ী নিগ্রহ
  • ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদদাতা: বিশ্বকর্মা পুজোয় থিমে চমক দিল বনগাঁ। উঠে এল পরিযায়ী শ্রমিকদের কথা। সাম্প্রতিক কালে অন্য রাজ্যে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর অত্যাচারের ছবি সামনে এসেছে। বিজেপি শাসিত রাজ্যে কাজে গিয়ে খুন হতে হয়েছে বেশ কয়েকজনকে। যার প্রতিবাদে গর্জে উঠেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির সেই বাঙালি বিদ্বেষের প্রতিবাদ ফুটে উঠেছে বিশ্বকর্মা পুজোর প্যান্ডেলে। 

Advertisement

বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রতিবছর ৭৮ বাসস্ট্যান্ডে বিশ্বকর্মা পুজোর আয়োজন করা হয়। এবারের থিমে দেখা যাচ্ছে, পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লাঠির আঘাত থেকে বাঙালিদের বাঁচাতে সামনের সারিতে তিনি। আবার এই ঘটনার প্রতিবাদে তৃণমূল কর্মীদের নিয়ে পথে নেমেছেন। সেই ছবিও ফুটে উঠেছে প্যান্ডেলে। কোথাও রয়েছে লক্ষ্মীর ভান্ডার সহ একাধিক প্রকল্পের কথা। উঠে এসেছে দীঘা জগন্নাথ মন্দিরের কথাও। একইভাবে বনগাঁ থেকে দীঘা বাস পরিষেবার দাবিও জানানো হয়েছে থিমে। এদিন পুজো উপলক্ষ্যে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রায় ১৮০০ পরিবহণ শ্রমিককে পুজোর বোনাস দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, এদিন ট্রেনেই বিশ্বকর্মার ছবি দিয়ে পুজো সারলেন বাঁশবেড়িয়ার রেল হকাররা। বাঁশবেড়িয়া স্টেশন ও লাগোয়া এলাকাতেই অবশ্য একাধিক বিশ্বকর্মা পুজো হয়েছে। মণ্ডপসজ্জায় সেখানেও ছিল ছোটোখাটো থিম। মন্দির থেকে শুরু করে পুরোনো খড়ের ছাউনির বাড়ির আদলে মণ্ডপ করে পুজো হয়েছে। এদিন দুপুরে ব্যান্ডেল-কাটোয়া শাখার ট্রেন বাঁশবেড়িয়া স্টেশনেই ঢুকতেই হুড়োহুড়ি পড়ে যায় হকার মহলে। রীতিমতো পুরোহিত ডেকে ট্রেনের ইঞ্জিনের সামনে বিশ্বকর্মার ছবি দিয়ে পুজো হয়। চলে মিষ্টিমুখ। আয়োজকদের দাবি, রেলই আমাদের রুজিরুটি। তাই রেলই থিম, রেলই পুজোর আধার। কাটোয়া-হাওড়া লোকালের ভিতরেও বিশ্বকর্মা পুজো হয়েছে। সকালের কাটোয়ামুখী গাড়িটি ৮.৪০ এ হাওড়ায় পৌঁছয়। ভোর পাঁচটার কিছু পরে তা কাটোয়া থেকে ছাড়ে। সেই ট্রেনের নিত্যযাত্রীরাই এদিনের পুজোর আয়োজন করেছিলেন।
 অন্যদিকে, বারাকপুর শিল্পাঞ্চলজুড়েও মহাসমারোহে হল শিল্পের দেবতার পুজো। রীতিমতো উৎসবের মেজাজে বিভিন্ন অটো রিকশ স্ট্যান্ড থেকে শুরু করে কারখানা, জুটমিল এবং শিল্পাঞ্চলে চলছে উৎসব। পুজোর দিন শ্রমিকদের পরিবারের লোকেরা কারখানা ঘুরে দেখেন। দুর্গাপুজোর আগে বড় উৎসবের আমেজ বারাকপুর শিল্পাঞ্চল জুড়ে। বারাকপুর এবং ইছাপুর স্টেশনে দুটি ট্রেনকে পুজো করেন তৃণমূল ট্রেড ইউনিয়নের সদস্যরা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ