


নয়াদিল্লি: কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্ত সংঘাতের শিকার ভগবান বিষ্ণুর মূর্তি। সীমান্তবর্তী এলাকায় বিষ্ণুমূর্তি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে থাইল্যান্ডের সেনার বিরুদ্ধে। বুধবার এবিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিল ভারত। একইসঙ্গে দু’পক্ষকে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে শান্তি ফেরানোর আর্জিও জানানো হয়েছে।
জানা গিয়েছে, ২০১৪ সালে বিশালাকার বিষ্ণু মূর্তিটি প্রিয়া ভিহার প্রদেশে স্থাপন করা হয়। অঞ্চলের সরকারি মুখপাত্র কিম চানপানাহা জানান, সীমান্ত থেকে প্রায় ১০০ মিটার ভিতরে ঢুকে তাণ্ডব চালানো হয়। অভিযোগ, সোমবার মূর্তি ও মন্দির ধ্বংস করে থাইল্যান্ড সেনা। রীতিমতো বুলডোজার এনে ধ্বংসলীলা চালানো হয়। কিমের কথায়, ‘মূর্তিটি আন সেস অঞ্চলে ছিল। ওই এলাকাটি আমাদের সীমানার মধ্যে রয়েছে। বৌদ্ধ ও হিন্দু দ্বারা পূজিত প্রাচীন মন্দির ও মূর্তি ধ্বংস করা হচ্ছে। ঘটনার তীব্র নিন্দা করি।’
ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি। বুধবার এবিষয়ে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্ত সংঘর্ষের মধ্যে সম্প্রতি স্থাপিত হিন্দু দেবতার মূর্তি ভাঙার খবর দেখেছি। ওই অঞ্চলের মানুষ হিন্দু ও বৌদ্ধ দেবতাদের গভীরভাবে শ্রদ্ধা ও ভক্তি করেন। এটা আমাদের সভ্যতামূলক ঐতিহ্যের অন্যতম অংশ। এই ধরনের অসম্মানজনক কাজ বিশ্বজুড়ে ভক্তদের ভাবাবেগে আঘাত করবে। এমনটা হওয়া উচিত নয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আরও একবার দু’পক্ষকে কূটনীতি আর আলোচনার মাধ্যমে শান্তি ফেরানোর আর্জি জানাচ্ছি।’ -ছবি সমাজমাধ্যম
গত জুলাই মাসে একে অপরের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড। সংঘর্ষে প্রায় ৪০ জনের মৃত্যু হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচেষ্টায় কয়েকদিনের মধ্যেই যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয় দু’পক্ষ। তবে চলতি মাসে ফের অশান্ত হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি।