নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: অস্থায়ী কর্মীদের নথি খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে কোচবিহার পুরসভা। আসলে কারা প্রকৃত কাজ করেন, কারাই বা অন্য কাজের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছে, সেসবই দেখা হচ্ছে। বিষয়টি পুরোপুরি প্রশাসনিক নির্দেশে হচ্ছে বলেই সূত্রের খবর।
নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: অস্থায়ী কর্মীদের নথি খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে কোচবিহার পুরসভা। আসলে কারা প্রকৃত কাজ করেন, কারাই বা অন্য কাজের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছে, সেসবই দেখা হচ্ছে। বিষয়টি পুরোপুরি প্রশাসনিক নির্দেশে হচ্ছে বলেই সূত্রের খবর।
নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর ৬০ বছরের বেশি বয়স্ক কর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ মোতাবেক যেমন কাজ হচ্ছে, তেমনি পুরসভার অস্থায়ী কর্মীদের মধ্যে কারা প্রকৃত কাজ করছেন তা এবার খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যাঁদের বয়স ৬০ বছরের বেশি তাঁরা আদৌ কর্মক্ষম কি না, তাও দেখছে। দিন কয়েক আগে এই সমীক্ষার পর ১৩৫ জনকে নোটিস ধরানো হয়েছে। নথি দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য, কোচবিহার পুরসভায় মোট ৬৩৬ জন অস্থায়ী কর্মী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১৩৫ জনের উপর সমীক্ষা চালিয়ে নোটিস ধরানোর পর বাকি রয়েছেন ৫০১ জন। এবার এই ৫০১ জনের উপরেও সমীক্ষা চলছে বলে জানা গিয়েছে।
বছর কয়েক আগে কোচবিহার পুরসভার অস্থায়ী কর্মীর সংখ্যা নিয়ে সমস্যার সৃষ্টি হয়। তৎকালীন প্রশাসক এবিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নিয়ে বেশকিছু অস্থায়ী কর্মীকে কাজ থেকে সরিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে বিভিন্ন ধাপে আরও কিছু অস্থায়ী কর্মীকে কোচবিহার পুরসভায় নিয়োগ করা হয়। কিন্তু এবার রাজ্যে সরকার বদলের পর নতুন করে ৬০ বছরের বেশি বয়স্কদের কাজ করানো নিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। পাশাপাশি পুরসভার অস্থায়ী কর্মীসংখ্যা ও তাঁদের কাজের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।