নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: একে ভাইফোঁটা। অন্যদিকে, আবার কালীপুজোর বিসর্জনের শেষদিন। তার জেরে দুপুরের পর থেকেই উত্তর কলকাতার রাস্তায় বাস, ট্যাক্সি গায়েব। পথের দখল নিল গঙ্গার ঘাটমুখী সারি সারি কালীপ্রতিমা। তার জেরে প্রায় স্তব্ধ হয়ে গেল উত্তর কলকাতার একাধিক রাস্তা। ভোগান্তির শিকার হলেন অন্যান্য যাত্রীরা। একের পর এক প্রতিমার চাপ সামলাতে নাকানিচোবানি খেতে হল পুলিসকে।
Advertisement
উত্তর কলকাতার আমহার্স্ট স্ট্রিট থানা এলাকায় পর পর বড় পুজো হয়। রবিবার সন্ধ্যার পর থেকেই আমহার্স্ট স্ট্রিট, রাজা রামমোহন রায় সরণি, শিয়ালদহ থেকে একের পর এক শোভাযাত্রা বের হয়। বিধান সরণির উপর হেঁদুয়া পর্যন্ত প্রতিমা বোঝাই বড় বড় গাড়ির সারি পড়ে যায়। তার মধ্যেই ঢুকে পড়ে যাত্রী বোঝাই একাধিক গাড়ি, অ্যাপ ক্যাব, বাইক। দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকতে হয় তাঁদের। তীব্র ভোগান্তির শিকার হন যাত্রীরা। অসীম বসু নামে এক ব্যক্তি বলেন, আমহার্স্ট স্ট্রিটে আমার দিদির বাড়ি। সেখানেই ভাইফোঁটা নিতে এসেছিলাম। ফেরার পথে তীব্র যানজটে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। বিধান সরণি ছেড়ে এপিসি রোড দিয়ে ঘুরপথে শ্যামবাজারে যেতে বাধ্য হয়েছি।
শুধুমাত্র বিধান সরণি নয়। যানজটে নাকাল হতে হয়েছে বড়বাজার থেকে রবীন্দ্র সরণি ধরে উত্তরমুখী যাত্রীদের। ওই রাস্তা দিয়েও একের পর এক প্রতিমা বোঝাই লরি গিয়েছে নিমতলার উদ্দেশ্যে। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের উপরেও একই অবস্থা ছিল। রাস্তায় বাস ও অন্যান্য গাড়ির সংখ্যা কম থাকায় অপেক্ষাকৃত কম ভুগতে হয়েছে সাধারণ যাত্রীদের। বিডন স্ট্রিট, শোভাবাজার ক্রসিংয়ে দীর্ঘক্ষণ ‘স্টপেজ টাইমের’ গেরোয় পড়তে হয়েছে আম জনতাকে। স্থানীয় সূত্রের খবর, একেকটি প্রতিমার সঙ্গে দু’টি-তিনটি লরি বোঝাই করে উৎসুক বাসিন্দারা সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ থেকে নিমতলা ঘাটের দিকে গিয়েছেন। তার জেরে যানজট আরও দীর্ঘ হয়। শুধু তাই নয়, ঘাটের বাইরেও প্রতিমার দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়। বেগতিক বুঝে শুধুমাত্র প্রতিমা বোঝাই লরিকেই নিমতলা ঘাট স্ট্রিটে ঢোকার অনুমতি দেয় জোড়াবাগান ট্রাফিক গার্ডের পুলিস। তাতে গভীর রাতে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। পুলিস সূত্রের খবর, রাত প্রায় সাড়ে ৩টে পর্যন্ত
নিরঞ্জন চলে।
শুধুমাত্র বিধান সরণি নয়। যানজটে নাকাল হতে হয়েছে বড়বাজার থেকে রবীন্দ্র সরণি ধরে উত্তরমুখী যাত্রীদের। ওই রাস্তা দিয়েও একের পর এক প্রতিমা বোঝাই লরি গিয়েছে নিমতলার উদ্দেশ্যে। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের উপরেও একই অবস্থা ছিল। রাস্তায় বাস ও অন্যান্য গাড়ির সংখ্যা কম থাকায় অপেক্ষাকৃত কম ভুগতে হয়েছে সাধারণ যাত্রীদের। বিডন স্ট্রিট, শোভাবাজার ক্রসিংয়ে দীর্ঘক্ষণ ‘স্টপেজ টাইমের’ গেরোয় পড়তে হয়েছে আম জনতাকে। স্থানীয় সূত্রের খবর, একেকটি প্রতিমার সঙ্গে দু’টি-তিনটি লরি বোঝাই করে উৎসুক বাসিন্দারা সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ থেকে নিমতলা ঘাটের দিকে গিয়েছেন। তার জেরে যানজট আরও দীর্ঘ হয়। শুধু তাই নয়, ঘাটের বাইরেও প্রতিমার দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়। বেগতিক বুঝে শুধুমাত্র প্রতিমা বোঝাই লরিকেই নিমতলা ঘাট স্ট্রিটে ঢোকার অনুমতি দেয় জোড়াবাগান ট্রাফিক গার্ডের পুলিস। তাতে গভীর রাতে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। পুলিস সূত্রের খবর, রাত প্রায় সাড়ে ৩টে পর্যন্ত
নিরঞ্জন চলে।



