নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: গত কয়েক বছরে শিল্পে অনেকটা এগিয়েছে দক্ষিণ ভারত। ফলে দেশের জিডিপিতে বেশি অবদান তাদের। তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে উত্তর ভারত। তাহলে কেন জিডিপিতে অংশিদারিত্ব অনুযায়ী আদায়ীকৃত কর কেন ভাগ বাটোয়ারা হবে না? প্রশ্ন তুলে জোট বেঁধেছে দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলি। অর্থাৎ দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলিকে কেন্দ্রীয় সরকার যেন করের সিংহভাগ দেয়। কেরল, তামিলনাড়ু, তেলেঙ্গানা, কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীরা চিঠি লিখে এই মর্মে দাবিও জানিয়েছেন। এরপরই নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্র। খোদ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, উত্তর ভারতের রাজ্যগুলিতে শিল্প টানতে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করা হবে। এজন্য ‘উন্নতি’ নামে একটি প্রকল্প চালুর ভাবনা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর এবং শিল্পবাণিজ্য মন্ত্রকের। ১০ বছর ধরে এই প্রকল্পে উত্তরপ্রদেশ সহ উত্তর ভারতের রাজ্যগুলিতে পরিকাঠামো নির্মাণ করা হবে। লক্ষ্য শিল্পের জন্য ইতিবাচক বাতাবরণ তৈরি করা। যাতে শিল্পমহল এই রাজ্যগুলিতে লগ্নিতে অগ্রসর হয়। প্রাথমিকভাবে ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হতে পারে।
Advertisement
আগামী বাজেটে এই পরিকল্পনার পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা স্থির হবে। এবং সেইমতোই কাজ শুরু হবে। উদ্দেশ্য হল, দক্ষিণ ও উত্তর ভারতের মধ্যে ক্রমবর্ধমান বৈষম্য কমানো। দক্ষিণে জনসংখ্যা কমছে। কিন্তু শিল্প বাড়ছে। উত্তরে ভারী শিল্প কিছুই হচ্ছে না। আবার জনসংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের এই অতি সক্রিয়তার মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে পূর্ব ভারত গেল কোথায়? এই প্রশ্ন সরকারের অন্দরেও উঠছে। কারণ গোটা পরিকল্পনায় পূর্ব ভারত ব্রাত্য। অথচ বিহার,ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ থেকে সবথেকে বেশি খনিজ পদার্থ গোটা দেশে যাচ্ছে।
বিহার, ওড়িশার এমপিরা প্রশ্ন করেছেন যে, তাঁদের রাজ্যগুলি বাদ কেন? বাজেটে কী হয় সেটা দেখে দক্ষিণের মতোই দাবি ও গুরুত্ব আদায়ে এরপর পূর্ব ভারতের রাজনৈতিক দলগুলিও একজোট হওয়ার কথা ভাবছে। কারণ ট্যাক্স বাটোয়ারাতে পূর্ব ভারতও বঞ্চিত। এই অভিযোগ ষোড়শ অর্থকমিশনকে করা হয়েছে।
বিহার, ওড়িশার এমপিরা প্রশ্ন করেছেন যে, তাঁদের রাজ্যগুলি বাদ কেন? বাজেটে কী হয় সেটা দেখে দক্ষিণের মতোই দাবি ও গুরুত্ব আদায়ে এরপর পূর্ব ভারতের রাজনৈতিক দলগুলিও একজোট হওয়ার কথা ভাবছে। কারণ ট্যাক্স বাটোয়ারাতে পূর্ব ভারতও বঞ্চিত। এই অভিযোগ ষোড়শ অর্থকমিশনকে করা হয়েছে।



