


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চলতি আর্থিক বছরেও হীরের রপ্তানি বাজার ভালো যাবে না বলে মনে করছে ক্রেডিট রেটিং সংস্থা ক্রিসিল। তাদের বক্তব্য, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষ শেষে হীরের রপ্তানির অঙ্ক ১০ শতাংশ কমতে পারে। সংস্থার ব্যাখ্যা, এর অন্যতম কারণ আমেরিকার অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক চাপানো। গত অর্থবর্ষে চীনে হীরের চাহিদা অনেকটাই কমে গিয়েছিল। পাশাপাশি আমেরিকায় ল্যাব বা পরীক্ষাগারে তৈরি হীরের সঙ্গে জোরালো প্রতিযোগিতায় নামতে হয়েছিল ভারতীয় হীরে ব্যবসাকে। তারপরও গত অর্থবর্ষের শেষ ত্রৈমাসিকে কিছুটা বাজার বাড়ে ভারতের। মোট রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়ায় ১ হাজার ৩৩০ কোটি মার্কিন ডলার। ভারতীয় মূল্যে তা ১ লক্ষ কোটি টাকার অনেকটাই বেশি। সেক্ষেত্রেও ভারতকে তার আগের বছরের তুলনায় ব্যবসা হারাতে হয়েছিল ১৭ শতাংশ। এবার তা ফের ১০ শতাংশ কমার আশঙ্কা রয়েছে। প্রসঙ্গত, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারতে গয়না রপ্তানি সামগ্রিকভাবে ধাক্কা খায়। জেম অ্যান্ড জুয়েলারি এক্সপোর্ট প্রোমোশন কাউন্সিল জানিয়েছে, গত অর্থবর্ষে প্রায় ২ লক্ষ ৪১ হাজার কোটি টাকার গয়না রপ্তানি হয়েছে। তার আগের অর্থবর্ষ, অর্থাৎ ২০২৩-২৪ সালে সেই অঙ্ক ছিল প্রায় ২ লক্ষ ৬৭ হাজার কোটি টাকা। সোনার দাম অনেকটাই বেড়ে যাওয়ার পরও কেন কমল রপ্তানি? সর্বভারতীয় প্রতিষ্ঠানটি দাবি করে, চীন এবং আমেরিকা ভারতীয় গয়নার আমদানি কমিয়েছে। তার প্রভাবই পড়েছে ভারতীয় রপ্তানির অঙ্কে। কারণ, ভারতের কাছে ওই দুই দেশই গয়নার সবচেয়ে বড় বাজার।