


ওয়াশিংটন ও ইসলামাবাদ: ‘বুরে দিন’ শুরু! ট্রাম্প ট্যারিফ নিয়ে মোদি সরকারকে খোঁচা দিতে শুরু করেছে বিরোধীরা। এই শুল্ক ঘায়ে বিষফোঁড়া হিসেবে এবার ছ’টি ভারতীয় সংস্থার উপর নিষেধাজ্ঞা চাপাল আমেরিকা। ইরানের সঙ্গে পেট্রকেমিক্যাল পণ্য ব্যবসার ‘অপরাধে’ ভারতীয় সংস্থাগুলির উপর খড়্গহস্ত ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন।
তেহরানকে নিশানা বানিয়ে মার্কিন বিদেশ দপ্তর বুধবার বলেছে, ‘নিজেদের অপকর্মের জন্য অর্থ সংগ্রহের লক্ষ্যে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতে এখনও ইন্ধন জুগিয়ে চলেছে ইরান সরকার। দেশের মানুষকে অবদমিত করতে ও বিদেশে সন্ত্রাসবাদে মদত দিতে ইরান যে অর্থ ব্যয় করে, তার প্রবাহ বন্ধে আজ পদক্ষেপ করল আমেরিকা।’ ওয়াশিংটনের বক্তব্য, ইরানকে শায়েস্তা করতেই তেহরানের সঙ্গে পেট্রলিয়াম ও পেট্রলিয়ামজাত পণ্য ও পেট্রকেলিক্যাল সামগ্রীর ব্যবসা করা মোট ২০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার উপর নিষেধাজ্ঞা চাপান হয়েছে। এই সংস্থাগুলি মূলত ভারত, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, তুরস্ক ও ইন্দোনেশিয়ার। এই তালিকাতেই ভারতের ছ’টি সংস্থা রয়েছে। মার্কিন বিদেশ দপ্তর বলেছে, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সাফ জানিয়ে দিয়েছে, কোনও দেশ বা ব্যক্তি ইরানের সঙ্গে তেল বা পেট্রপণ্যের ব্যবসা করলে তাদের মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হবে। তাদের আর আমেরিকায় ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না।’ মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়া ভারতীয় সংস্থাগুলি হল কাঞ্চন পলিমার্স, অ্যালকেমিক্যাল সলিউশনস, রামনিকলাল এস গোসালিয়া অ্যান্ড কোম্পানি, জুপিটার ডাই কেম প্রাইভেট লিমিটেড, গ্লোবাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল কেমিক্যালস লিমিটেড ও পারসিস্ট্যান্ট পেট্রকেম প্রাইভেট লিমিটেড।
এরইমধ্যে আবার পাকিস্তানের সঙ্গে আমেরিকার ‘বন্ধুত্বে’র নয়া বার্তার মধ্যেই শনিবার ইসলামাবাদ সফরে আসছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করে তোলার লক্ষ্যে তিনি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে বৈঠক করবেন।