


দুবাই: হামাস-ইজরায়েল যুদ্ধের আবহে ক্রমেই গভীর হচ্ছে পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট। ফের ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের নিশানা করল আমেরিকা। শুক্রবার ভোরের বিমান হানায় অন্তত ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১২৬ জন। হুথি নিয়ন্ত্রিত ইয়েমেনের তেলের বন্দর রাস ইশায় এই হামলা চালানো হয়েছে।
পশ্চিম এশিয়ার মার্কিন সেনার সেন্ট্রাল কমান্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের মদতপুষ্ট হুথিদের জ্বালানি তেলের উৎস গুঁড়িয়ে দিতে এই অভিযান। গত এক দশক ধরে এই বন্দর ব্যবহার করে বেআইনিভাবে অর্থ উপার্জন করা হচ্ছে। সেই অর্থ জঙ্গি কার্যকলাপে ব্যয় করছে হুথিরা। তবে আমেরিকা যে সাধারণ নাগরিকদের নিশানা করছে না, সেকথাও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। এদিনের হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ইজরায়েলের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে হুথিরা। সেগুলি আছড়ে পড়ার আগেই অবশ্য ধ্বংস করে দেয় ইজরায়েলের সেনাবাহিনী।
ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বার মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর হুথিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেন। গত ১৫ মার্চ হোয়াইট হাউসের নির্দেশে অভিযান শুরু করে মার্কিন সেনা। সংবাদমাধ্যমের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় হামলা চালায় ইজরায়েল। তারপর থেকে লাগাতার ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে চলেছে হুথিরা। লোহিত সাগরে তাদের হামলার হাত থেকে রক্ষা পায়নি পণ্যবাহী জাহাজও। ইরানের মদতপুষ্ট বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে রুখতে কোমর বেঁধে নেমেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এদিনের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ সাধারণ নাগরিক বলে দাবি ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠীর।