নয়াদিল্লি, ২৫ আগস্ট: ২০১৬ তে শুরু। আজ এক দশক পূরণ করল ইউপিআই পরিষেবা। পাড়ার মুদিখানা থেকে শুরু করে রেস্টুরেন্ট, ছোট -বড় দোকান থেকে নানান ব্যাবসা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মানুষ এখন লেনদেন করতে ইউপিআই ব্যবস্থার উপরেই নির্ভরশীল। ক্যাশলেশ পদ্ধতিতে হাতে থাকা স্মার্ট ফোন থেকে চট করে পেমেন্ট করে দেওয়া এখন মানুষের নিত্য দিনের অংশ। এক দশক ধরে চলা এই ইউপিআই পরিষেবাকে দেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন হিসেবে ভুয়োসী প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
২০১৬ সালের ২৫ আগস্ট দেশজুড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এনপিসিআইয়ের উদ্যোগে এবং আরবিআইয়ের নিয়ন্ত্রক তত্ত্বাবধানে এই ইউপিআই চালু হয়। তার পর থেকেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে এটি জনপ্রিয় ও সহজ লেনদেন ব্যবস্থার বিকল্প হয়ে ওঠে এটি। আজ প্রধানমন্ত্রী তাঁর সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, 'এক দশক আগে ইউপিআই চালু হয়েছিল, যা ভারতের ডিজিটাল পেমেন্টের যাত্রাপথে একটি বড় পরিবর্তন এনেছিল। ইউপিআই-এর ব্যাপকতা এবং প্রসার প্রত্যেক ভারতীয়র জন্য গর্বের বিষয়।' পাশাপাশি ইউপিআই কীভাবে দৈনন্দিন জীবনকে প্রভাবিত করছে সেই অভিজ্ঞতা তাঁর সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার ও আবেদন করেন তিনি।
এক পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে, গত দশ বছরে হুহু করে বেড়েছে ইউপিআই লেনদেন। ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষে যেখানে ১.৭৮ কোটি লেনদেন হয়েছিল, সেখানে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৪,১৬২ কোটিরও বেশি। যা বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ১২ গুনের কাছাকাছি। শুধু সংখ্যা নয় টাকার অঙ্কেও এসেছে বিরাট রদবদল। ২০১৬-১৭ সালে মোট লেনদেন হয়েছিল ০.০৭ লক্ষ কোটি টাকা যেখানে ২০২৫-২৬ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১৪ লক্ষ কোটি টাকায়।