নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: রাজ্যপালের চেষ্টা আপাতত ব্যর্থ। রাজ্যের উপাচার্য নিয়োগ মামলায় যোগ্য ব্যক্তি বাছাইয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা সোমবার ধাক্কা খেল সুপ্রিম কোর্টে। বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি উজ্জ্বল ভুয়ানের বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিল, আপাতত নিয়মে কোনও পরিবর্তন করা হচ্ছে না। অর্থাৎ সার্চ অ্যান্ড সিলেকশন কমিটি সম্ভাব্য উপাচার্যদের নামের তালিকা প্রথমে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পাঠাবে। মুখ্যমন্ত্রীই সেই তালিকা থেকে যোগ্যতার ক্রমানুসার সাজিয়ে আচার্য তথা রাজ্যপালকে পাঠাবেন। সার্চ অ্যান্ড সিলেকশন কমিটি যোগ্যতার ক্রম সাজিয়ে দেবে না। তারা স্রেফ যোগ্যদের তালিকা দেবে।
Advertisement
অথচ রাজ্যপাল চাইছিলেন, মুখ্যমন্ত্রী নন, ‘অর্ডার অব প্রেফারেন্স’ অর্থাৎ যোগ্যতার ক্রম ঠিক করে দিক সার্চ অ্যান্ড সিলেকশন কমিটি। সেই মোতাবেক হোক নিয়োগ। কিন্তু সেই আবেদন গ্রাহ্য করা হল না। উল্টে বিচারপতি সূর্য কান্ত শুনানির পর্যবেক্ষণে কড়া ভাষায় জানিয়ে দিলেন, ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থে দ্রুত উপাচার্য নিয়োগ প্রয়োজন। তাই কোনও জটিলতা আর চাই না। আগে নিয়োগ হোক। তারপর যদি রাজ্য-রাজ্যপাল বিবাদ হয়, তখন দেখা যাবে। আপাতত নিয়মে কোনও বদল করা হচ্ছে না।
মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে এদিন রাজ্যপালের হয়ে সওয়াল করেন দেশের অ্যাটর্নি জেনারেল আর বেঙ্কটরামানি এবং আইনজীবী জয়দীপ মজুমদার। রাজ্য সরকারের হয়ে আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি এবং জয়দীপ গুপ্ত। রাজ্যপালের এই আবেদনেরই সমালোচনা করেন রাজ্যের আইনজীবীরা। বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, এদিন সকালে সার্চ অ্যান্ড সিলেকশন কমিটির চেয়ারম্যান তথা সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি উদয় উমেশ ললিতের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়েছিল। কথা প্রসঙ্গে ললিত তাঁকে জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের ৩৬টি রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৪টির সম্ভাব্য উপাচার্যর তালিকা তৈরি। বাকি দু’টির জন্য আবেদনকারী প্রার্থীর মধ্যে কাউকেই যোগ্য মনে হয়নি। তাই নতুন করে বিজ্ঞাপন দিয়ে আবেদন গ্রহণ করা হবে। এমতাবস্থায় আর কোনও জটিলতা চাই না বলেই স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন বিচারপতি সূর্য কান্ত। চুপ করে যান অ্যাটর্নি জেনারেল। ৯ ডিসেম্বর পরবর্তী শুনানি হবে।
মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে এদিন রাজ্যপালের হয়ে সওয়াল করেন দেশের অ্যাটর্নি জেনারেল আর বেঙ্কটরামানি এবং আইনজীবী জয়দীপ মজুমদার। রাজ্য সরকারের হয়ে আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি এবং জয়দীপ গুপ্ত। রাজ্যপালের এই আবেদনেরই সমালোচনা করেন রাজ্যের আইনজীবীরা। বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, এদিন সকালে সার্চ অ্যান্ড সিলেকশন কমিটির চেয়ারম্যান তথা সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি উদয় উমেশ ললিতের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়েছিল। কথা প্রসঙ্গে ললিত তাঁকে জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের ৩৬টি রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৪টির সম্ভাব্য উপাচার্যর তালিকা তৈরি। বাকি দু’টির জন্য আবেদনকারী প্রার্থীর মধ্যে কাউকেই যোগ্য মনে হয়নি। তাই নতুন করে বিজ্ঞাপন দিয়ে আবেদন গ্রহণ করা হবে। এমতাবস্থায় আর কোনও জটিলতা চাই না বলেই স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন বিচারপতি সূর্য কান্ত। চুপ করে যান অ্যাটর্নি জেনারেল। ৯ ডিসেম্বর পরবর্তী শুনানি হবে।



