সংবাদদাতা, বর্ধমান: সাজাপ্রাপ্ত বন্দিকে বর্ধমান সংশোধনাগারে নিয়ে আসার সময় এক এএসআইয়ের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। মৃত মিন্টু দাসের(৫৫) বাড়ি হুগলির চুঁচুড়া থানার ধরমপুরে। তিনি চন্দননগর কমিশনারেটে পুলিস লাইনে কর্মরত ছিলেন। পুলিস জানিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যায় মিন্টুবাবু হুগলি সংশোধনাগার থেকে এক সাজাপ্রাপ্ত বন্দিকে বর্ধমান সংশোধনাগারে নিয়ে আসছিলেন। পথে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পুলিস দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। বর্ধমান থানার বিজয়রাম ঘোষপাড়ায় বাপের বাড়িতে এক বধূর অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। মৃতার নাম শিখা রাম(২৩)। মঙ্গলবার সকালে ঘরে সিলিংফ্যান থেকে গলায় ওড়নার ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাঁকে ঝুলতে দেখেন পরিবারের লোকজন। তড়িঘড়ি উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। শিখাদেবীর শ্বশুরবাড়ি বীরভূমের সাঁইথিয়ায়। দু’বছর আগে তাঁর বিয়ে হয়। পরিবারের দাবি, সংসারে অশান্তির কারণে তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন। গলসি থানার লোয়া গ্রামে কীটনাশক খেয়ে এক ব্যক্তি আত্মঘাতী হয়েছেন। দীনু বাগদি(৪২) নামে ওই ব্যক্তি সোমবার দুপুরে বাড়িতেই কীটনাশক খান। রাতে বর্ধমান মেডিক্যালে তিনি মারা যান। সংসারে অশান্তির জেরে এঘটনা ঘটেছে বলে পরিবারের সদস্যরা জানান। মেমারি থানার কোনারপাড়ায় কীটনাশক খেয়ে এক বৃদ্ধ আত্মঘাতী হয়েছেন। দুর্গা সোরেন(৬০) নামে ওই বৃদ্ধ সোমবার সকালে বাড়িতে কীটনাশক খান। রাতে বর্ধমান মেডিক্যালে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর আত্মহত্যার কারণ নিয়ে পরিবারের লোকজন ধোঁয়াশায় রয়েছে।



