Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বন্দিকে সংশোধনাগারে নিয়ে আসার পথে এএসআইয়ের অস্বাভাবিক মৃত্যু, চাঞ্চল্য

বন্দিকে সংশোধনাগারে নিয়ে আসার পথে এএসআইয়ের অস্বাভাবিক মৃত্যু, চাঞ্চল্য
  • ২ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বর্ধমান: সাজাপ্রাপ্ত বন্দিকে বর্ধমান সংশোধনাগারে নিয়ে আসার সময় এক এএসআইয়ের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। মৃত মিন্টু দাসের(৫৫) বাড়ি হুগলির চুঁচুড়া থানার ধরমপুরে। তিনি চন্দননগর কমিশনারেটে পুলিস লাইনে কর্মরত ছিলেন। পুলিস জানিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যায় মিন্টুবাবু হুগলি সংশোধনাগার থেকে এক সাজাপ্রাপ্ত বন্দিকে বর্ধমান সংশোধনাগারে নিয়ে আসছিলেন। পথে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পুলিস দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। বর্ধমান থানার বিজয়রাম ঘোষপাড়ায় বাপের বাড়িতে এক বধূর অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। মৃতার নাম শিখা রাম(২৩)। মঙ্গলবার সকালে ঘরে সিলিংফ্যান থেকে গলায় ওড়নার ফাঁস লাগানো অবস্থায় তাঁকে ঝুলতে দেখেন পরিবারের লোকজন। তড়িঘড়ি উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। শিখাদেবীর শ্বশুরবাড়ি বীরভূমের সাঁইথিয়ায়। দু’বছর আগে তাঁর বিয়ে হয়। পরিবারের দাবি, সংসারে অশান্তির কারণে তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন। গলসি থানার লোয়া গ্রামে কীটনাশক খেয়ে এক ব্যক্তি আত্মঘাতী হয়েছেন। দীনু বাগদি(৪২) নামে ওই ব্যক্তি সোমবার দুপুরে বাড়িতেই কীটনাশক খান। রাতে বর্ধমান মেডিক্যালে তিনি মারা যান। সংসারে অশান্তির জেরে এঘটনা ঘটেছে বলে পরিবারের সদস্যরা জানান। মেমারি থানার কোনারপাড়ায় কীটনাশক খেয়ে এক বৃদ্ধ আত্মঘাতী হয়েছেন। দুর্গা সোরেন(৬০) নামে ওই বৃদ্ধ সোমবার সকালে বাড়িতে কীটনাশক খান। রাতে বর্ধমান মেডিক্যালে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর আত্মহত্যার কারণ নিয়ে পরিবারের লোকজন ধোঁয়াশায় রয়েছে।

Advertisement

বর্ধমানে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু: বর্ধমান থানার বেচারহাটে জাতীয় সড়কে চারচাকা গাড়িতে লরির ধাক্কায় এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে। মৃতার নাম সহেলি তালুকদার(৪৮)। তাঁর বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলা থানার বেহালায়। আরও চারজন জখম হয়েছেন। তাঁদের বর্ধমান মেডিক্যালে প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয়। পুলিস জানিয়েছে, সোমবার শান্তিনিকেতন থেকে স্বামীর সঙ্গে গাড়িতে বাড়ি ফিরছিলেন সহেলিদেবী। বেচারহাটের কাছে একটি লরি তাঁদের গাড়িতে ধাক্কা মারে। এতে চালক সহ পাঁচজন জখম হন। পুলিস তাঁদের বর্ধমান মেডিক্যালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক সহেলিদেবীকে মৃত ঘোষণা করেন। গলসি থানার খানোয় জাতীয় সড়কে ঈদের কেনাকাটা করে বাইক নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনায় এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম সায়ন মল্লিক ওরফে আরিফ(১৭)। বাড়ি গলসি থানার তেঁতুলমুড়ি গ্রামে। তার জখম সঙ্গীকে বর্ধমান মেডিক্যালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। পুলিস জানিয়েছে, খানোর কাছে জাতীয় সড়কে সায়নদের বাইক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডিভাইডারে ধাক্কা মারে। তাতে সায়ন ও তার বন্ধু জখম হয়। স্থানীয়রা বর্ধমান মেডিক্যালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক সায়নকে মৃত ঘোষণা করেন। পশ্চিম বর্ধমানের রানিগঞ্জের রানিসায়র কদমতলায় গাড়ির ধাক্কায় এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মৃত হরিনারায়ণ বাউরির(৩৩) বাড়ি রানিগঞ্জে। পুলিস জানিয়েছে, কয়েকদিন আগে কদমতলায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকার সময় একটি গাড়ি তাঁকে ধাক্কা মারে। গুরুতর জখম অবস্থায় তিনি বর্ধমান মেডিক্যালে ভর্তি ছিলেন। মঙ্গলবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ