Bartaman Logo
২৮ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পুজোর দিনগুলিতে বাইপাস ব্যবহারের ফলে যানজটমুক্ত থাকল উলুবেড়িয়া

দুর্গাপুজোর দিনগুলিতে উলুবেড়িয়া শহরকে যানজটমুক্ত রাখতে এবং দর্শনার্থীদের নির্বিঘ্নে মণ্ডপে পৌঁছে দিতে নবনির্মিত বাইপাস ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিলেন পূর্তমন্ত্রী পুলক রায়।

পুজোর দিনগুলিতে বাইপাস ব্যবহারের ফলে যানজটমুক্ত থাকল উলুবেড়িয়া
  • ৪ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: দুর্গাপুজোর দিনগুলিতে উলুবেড়িয়া শহরকে যানজটমুক্ত রাখতে এবং দর্শনার্থীদের নির্বিঘ্নে মণ্ডপে পৌঁছে দিতে নবনির্মিত বাইপাস ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিলেন পূর্তমন্ত্রী পুলক রায়। মন্ত্রীর সেই প্রস্তাব কার্যকর করে পুজোয় উলুবেড়িয়াকে যানজট থেকে মুক্ত রাখার ক্ষেত্রে কার্যত ফুল মার্কস পেল পুলিশ-প্রশাসন। যানজট উলুবেড়িয়া শহরের অন্যতম একটি বড় সমস্যা। বিশেষ করে উৎসবের সময় এই সমস্যায় রীতিমতো নাজেহাল হতে হয় মানুষকে। এই সমস্যা দূর করতে বছরখানেক আগে বাইপাস নির্মাণের পরিকল্পনা হয়। পুজোর দিনগুলিতে এই রাস্তাই ব্যবহারের পরিকল্পনা নিয়েছিলেন মন্ত্রী পুলক রায়। সেইমতো ষষ্ঠী থেকে গঙ্গারামপুর মোড় থেকে গোরুহাটা মোড় পর্যন্ত বাইপাস খুলে দেওয়া হয়। একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর থেকে শহরের মূল রাস্তা দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দিয়ে বাইপাস দিয়ে চালানো হয় সেগুলি। ফলে যনজট মুক্ত থাকে শহরের রাজপথ।  এই ব্যবস্থাপনায় খুশি ঠাকুর দেখতে বেরোনো আট থেকে আশি। যেমন, বীরশিবপুরের অলোক ভুঁইয়া সপরিবারে প্রতিমা দেখতে এসে বলে গেলেন, ‘আগে অনেক আগে থেকে রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হতো। অনেকটা পথ হাঁটতে হতো। এবার বাইপাস চালু হয়ে যাওয়ায় একদিকে যেমন কম হাঁটতে হয়েছে, সেরকমই নিশ্চিন্তে মণ্ডপে গিয়ে ঠাকুর দেখতে পেরেছি।’ ফতেপুর মোড়ে টোটোয় বসে কপালে হাত ঠেকিয়ে প্রণাম করছিলেন বৃদ্ধা কান্তবালা মিস্ত্রি। তিনি বললেন, ‘এই রাস্তাটা হতে আমাদের মতো বয়স্কদের যে কতটা সুবিধা হয়েছে, বলার নেই। আগে নাতিরা ঠাকুর দেখতে যাওয়ার বায়না করলেও হাঁটার ভয়ে আসতে পারতাম না। এবার টোটোয় চেপেই অনেক ঠাকুর দেখলাম।’  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ