সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: কোনওভাবেই সরকারি জায়গা দখল করে বেআইনি নির্মাণ কাজ করা যায় না। মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশ সত্ত্বেও উলুবেড়িয়া ১ নম্বর ব্লকের কালীনগর চৌরাস্তার কাছে চাপাখালের উপর বেআইনি কালভার্ট নির্মাণের অভিযোগ উঠল। শুধু তাই নয়, বিষয়টি সেচদপ্তরের নজরে আসার পর নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে কালীনগর গ্রাম পঞ্চায়েত কাজ বন্ধের নির্দেশ জারি করে। সেই নির্দেশ উপেক্ষা করেই কাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কালীনগর গ্রাম পঞ্চায়েত সূত্রে খবর, কাজ বন্ধ করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের পঞ্চায়েত অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উলুবেড়িয়া ১ নম্বর ব্লকের কালীনগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার মধ্যে দিয়েই গিয়েছে চাপাখাল। এই খাল রয়েছে উলুবেড়িয়া-শ্যামপুর রোডের পাশ দিয়ে। কালীনগর চৌরাস্তার কাছে এই খালের উপর বেআইনিভাবে কালভার্ট নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, খালের উপর বেআইনি নির্মাণ বন্ধ করার জন্য সেচদপ্তরে অভিযোগ জমা পড়ে। এরপর সেচদপ্তর কালীনগর গ্রাম পঞ্চায়েতকে দ্রুত কাজ বন্ধের নির্দেশ দেয়। সেইমতো গত ১৫ জানুয়ারি পঞ্চায়েত নির্মাণ কাজ বন্ধের নির্দেশ দেয় এবং সেই মর্মে নোটিস সাঁটে নির্মাণ কাজের জায়গায়। এরপরেও কাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে।
এ প্রসঙ্গে কালীনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শেখ দেরাসাত হোসেন বলেন, শুনেছি ফের কাজ হচ্ছে। আমরা কাজ বন্ধ রেখে গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে দেখা করতে বলেছি। এরপরও যদি নির্মাণ কাজ চলে তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেচদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, কালীনগর গ্রাম পঞ্চায়েতকে কাজ বন্ধ করতে বলার পাশাপাশি অভিযোগ জানাতে বলা হয়েছে। খালের উপর কোনওভাবেই নির্মাণ করা যাবে না। প্রয়োজনে প্রশাসন ওই নির্মাণ ভেঙে দেবে বলে জানিয়েছেন ওই আধিকারিক।
এ প্রসঙ্গে কালীনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শেখ দেরাসাত হোসেন বলেন, শুনেছি ফের কাজ হচ্ছে। আমরা কাজ বন্ধ রেখে গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে দেখা করতে বলেছি। এরপরও যদি নির্মাণ কাজ চলে তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেচদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, কালীনগর গ্রাম পঞ্চায়েতকে কাজ বন্ধ করতে বলার পাশাপাশি অভিযোগ জানাতে বলা হয়েছে। খালের উপর কোনওভাবেই নির্মাণ করা যাবে না। প্রয়োজনে প্রশাসন ওই নির্মাণ ভেঙে দেবে বলে জানিয়েছেন ওই আধিকারিক।



