সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: ‘সোনাঝুরি হাট’। শহরের প্রাণকেন্দ্র উলুবেড়িয়ায় বসা হাট দিন কয়েক ধরে আট থেকে আশি সকলের কাছে আকর্ষণের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছিল। নিজেদের মনের মতো হাতে তৈরি জিনিস কিনতে প্রায় প্রতিদিন দুপুর থেকে রাত অবধি মেলায় ভিড় উপচে পড়েছে। বিক্রিবাটা ভালো হওয়ায় খুশি বিভিন্ন জেলা থেকে আসা শিল্পীরাও।
Advertisement
উলুবেড়িয়া পুরসভা সূত্রে খবর, ১৮ জানুয়ারি থেকে বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত হাটে ১৮ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকার সামগ্রী বিক্রি হয়েছে। শুক্রবার শেষ হয়েছে হাট।
উলুবেড়িয়া পুরসভার উদ্যোগে পার্কিং জোনে গত ১৮ জানুয়ারি শুরু হয়েছিল বইমেলা। সেটি শেষ হতেই শুরু হয় উলুবেড়িয়া মেলা। পাশাপাশি ১৮ তারিখ থেকেই চলছিল সোনাঝুরির হাট। যা মেলায় আসা সাধারণ মানুষের কাছে আকর্ষণের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছিল। পুরসভা সূত্রে খবর, দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, বীরভূম, বাঁকুড়া, নদীয়া, মুর্শিদাবাদ ছাড়াও একাধিক রাজ্য থেকে ৫২ জন শিল্পী এই হাটে এসেছেন। ঘর সাজানোর জিনিস থেকে শুরু করে হাতে তৈরি হরেক গয়না, পোশাক সব কিছুই মিলছে হাটে। উলুবেড়িয়া কলেজের ছাত্রী অন্বেষা, শর্মিলা, তনু্শ্রীরা হাটে এসেছিলেন। কথা প্রসঙ্গে তাঁরা জানান, চারবার সোনাঝুরির হাটে এলাম। টুকিটাকি জিনিস কিনেছি। শ্যামপুরের দেউলির গৃহবধূ কাজল রায় বলেন, মেয়ে হাটে আসার জন্য বায়না ধরেছিল। তাই এলাম। তবে না এলে খুব মিস করতাম। ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, প্রথম বছর উলুবেড়িয়ায় এই হাটে এসে যে পরিমাণ বিক্রিবাটা হয়েছে, তাতে আমরা খুশি।
উলুবেড়িয়া পুরসভার উদ্যোগে পার্কিং জোনে গত ১৮ জানুয়ারি শুরু হয়েছিল বইমেলা। সেটি শেষ হতেই শুরু হয় উলুবেড়িয়া মেলা। পাশাপাশি ১৮ তারিখ থেকেই চলছিল সোনাঝুরির হাট। যা মেলায় আসা সাধারণ মানুষের কাছে আকর্ষণের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছিল। পুরসভা সূত্রে খবর, দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, বীরভূম, বাঁকুড়া, নদীয়া, মুর্শিদাবাদ ছাড়াও একাধিক রাজ্য থেকে ৫২ জন শিল্পী এই হাটে এসেছেন। ঘর সাজানোর জিনিস থেকে শুরু করে হাতে তৈরি হরেক গয়না, পোশাক সব কিছুই মিলছে হাটে। উলুবেড়িয়া কলেজের ছাত্রী অন্বেষা, শর্মিলা, তনু্শ্রীরা হাটে এসেছিলেন। কথা প্রসঙ্গে তাঁরা জানান, চারবার সোনাঝুরির হাটে এলাম। টুকিটাকি জিনিস কিনেছি। শ্যামপুরের দেউলির গৃহবধূ কাজল রায় বলেন, মেয়ে হাটে আসার জন্য বায়না ধরেছিল। তাই এলাম। তবে না এলে খুব মিস করতাম। ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, প্রথম বছর উলুবেড়িয়ায় এই হাটে এসে যে পরিমাণ বিক্রিবাটা হয়েছে, তাতে আমরা খুশি।



