Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

উদ্বোধনের ১৫ বছরেও অসম্পূর্ণ চাঁচল স্টেডিয়াম কেন্দ্রীয় বরাদ্দ আনতে ব্যর্থ পদ্ম সাংসদ খগেন মুর্মু, হতাশ এলাকার ব্যবসায়ীরা

উদ্বোধনের ১৫ বছরেও অসম্পূর্ণ চাঁচল স্টেডিয়াম কেন্দ্রীয় বরাদ্দ আনতে ব্যর্থ পদ্ম সাংসদ খগেন মুর্মু, হতাশ এলাকার ব্যবসায়ীরা
  • ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, চাঁচল: উদ্বোধনের দেড় দশক পেরোলেও আজও পূর্ণতা পায়নি মালদহের চাঁচল স্টেডিয়াম। অর্ধসমাপ্ত স্টেডিয়ামে চলে স্থানীয়দের খেলা। কবে কাজ সম্পূর্ণ হবে, সেই প্রশ্নের উত্তর জানা নেই কারোর। বয়সের ভারে মাঠের দক্ষিণ পশ্চিম সীমানার গ্যালারিতে শ্যাওলা ধরতে শুরু করেছে। পরিত্যক্ত হতে চলেছে সেই পুরণো নির্মাণ কাজ। এলাকায় খেলার প্রসারে পরিপূর্ণভাবে স্টেডিয়াম তৈরি করে তা চালু করা দরকার বলে মনে করেন বাসিন্দারা। এজন্য দ্রুত স্টেডিয়ামের কাজ শেষ করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। 
Advertisement
সাধারণ মানুষ প্রশ্ন তুলেছেন বর্তমান বিজেপি সাংসদের ভুমিকা নিয়েও। তিনি দুবারের সাংসদ। তাও কেন এই কাজ শেষ করতে উদ্যোগ নিলেন না! এপ্রসঙ্গে উত্তর মালদহের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর দাবি, আমিও এই স্টেডিয়াম মাঠে পা রেখেছি। কিন্তু কিভাবে কারা কাজ করছে, আমি পুরোপুরি  অন্ধকারে। মানুষ আমাকে জানালে কেন্দ্রীয়ভাবে বরাদ্দ আনার চেষ্টা করব। কিন্তু সব স্তরেইতো তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিরা রয়েছেন। সেখানে বিধায়কও তৃণমূলের। তারা কি করছেন। এই কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া তাদেরও দায়িত্ব নয় কি?
এলাকার ক্রীড়া সংস্কৃতির উন্নতি সাধনের জন্য তৎকালীন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী তথা রায়গঞ্জ লোকসভার সাংসদ প্রিয়রঞ্জন দাসমুন্সী চাঁচল সদরে স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ নেন। তারপর এই কাজে হাত লাগান উত্তর মালদহের তৎকালীন সাংসদ মৌসম নুর এবং স্থানীয় বিধায়ক আসিফ মেবহবুব। ২০১১ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে অসম্পূর্ণ স্টেডিয়াম উদ্বোধন করেন সাংসদ। কিন্তু সেই উদ্বোধনের দেড় দশক হতে চললেও স্টেডিয়ামের বাকি কাজ হয়নি।
অসম্পূর্ণ স্টেডিয়াম পড়ে থাকতে দেখে ক্ষোভ জন্মেছে স্থানীয়দের মধ্যে। স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর ইসলামের কথায়, এই স্টেডিয়ামে বড় টুর্নামেন্ট হয় না। স্টেডিয়ামটি প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রিয়বাবু নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এখন কোনও জনপ্রতিনিধিই অসমাপ্ত কাজ সম্পূর্ণ করতে উদ্যোগ নিচ্ছেন না। আমরা হতাশ। কাজি আতাউর রহমান নামে আরএক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন,  প্রিয়বাবুর স্বপ্ন ছিল চাঁচলে বড় স্টেডিয়াম হবে। তিনি অসুস্থ হওয়ার পর থেকে আর কাজ হয়নি। পুরনো গ্যালারির যা দশা, তা দেখে পরিত্যাক্ত বলেই মনে হয়। এদিকে বিজেপি সাংসদের উদ্দেশ্যে পাল্টা চাঁচলের তৃণমূলের বিধায়ক নীহাররঞ্জন ঘোষ বলেন, মানুষ না বললেও আমরা নিজের চোখে দেখে কাজ করি। দু›বারের সাংসদের সেই স্টেডিয়াম চোখে পড়েনি। আমরাই স্টেডিয়ামের কাজ সম্পূর্ণ করব।  চাঁচল স্টেডিয়াম-নিজস্ব চিত্র
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ