Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলার ধার শোধে পাকিস্তানকে তাগাদা আরব আমিরশাহির

যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে অগ্নিগর্ভ পশ্চিম এশিয়া। হরমুজ প্রণালী বন্ধের প্রভাবে ধাক্কা খেয়েছে বিশ্ব অর্থনীতি। এই টালমাটাল সময়ে পাকিস্তানকে দেওয়া সাড়ে তিন বিলিয়ন ডলার (পাক মুদ্রায় ৯৭ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা) ঋণ ফেরত চাইল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি।

সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলার ধার শোধে পাকিস্তানকে তাগাদা আরব আমিরশাহির
  • ৫ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

ইসলামাবাদ: যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে অগ্নিগর্ভ পশ্চিম এশিয়া। হরমুজ প্রণালী বন্ধের প্রভাবে ধাক্কা খেয়েছে বিশ্ব অর্থনীতি। এই টালমাটাল সময়ে পাকিস্তানকে দেওয়া সাড়ে তিন বিলিয়ন ডলার (পাক মুদ্রায় ৯৭ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা) ঋণ ফেরত চাইল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। ওই পাওনা মিটিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন এক পাক মন্ত্রী। যদিও কাজটা মোটেই সহজ হবে না আর্থিকভাবে প্রায় দেউলিয়া পাকিস্তানের। তাদের বিদেশি মুদ্রা তহবিলের ১৮ শতাংশই এই ধার মেটাতে চলে যাবে। ফলে আমদানি সহ নানা ক্ষেত্রেই চাপের মুখে পড়তে হবে। 

Advertisement

জানা যাচ্ছে,  ১৯৯৬-৯৭ অর্থবর্ষে এক বছরের জন্য সাড়ে চারশো মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ নিয়েছিল পাকিস্তান। অথচ তিন দশক পেরোনোর পরও সেই ধার পুরোপুরি শোধ করতে পারেনি তারা। এরমধ্যে আবার  গত জানুয়ারি মাসে আরও দুটি ১ বিলিয়ন ডলার ঋণের মেয়াদ শেষ হয়েছে। পাকিস্তান সেসময় আমিরশাহির কাছে আরও দু’বছর সময় চেয়েছিল।  যদিও  সাড়ে ৬ শতাংশ হারে মাত্র ১ মাসের জন্য মেয়াদ বাড়ানো হয়। এরপর ফের ধার শোধে তাগাদা দিল আমিরশাহি। 
পাক সরকার সূত্রে খবর, ১১ এপ্রিল প্রথম ধাপে ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ফেরত দেওয়া হবে। তারপরে ১৭ এপ্রিল ২ বিলিয়ন ডলার ও ২৩ এপ্রিল বাকি ১ বিলিয়ন ডলার শোধ করা  হবে। পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কে মজুত ১৬.৪ বিলিয়ন ডলার বিদেশি মুদ্রা তহবিল থেকেই এই অর্থ দেওয়া হবে। 
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিদেশি মুদ্রা ভাণ্ডার থেকে এই ঋণ পরিশোধ করা হলে তার প্রভাব সরাসরি এসে পড়বে পাকিস্তানি রুপির উপর। প্রভাব পড়বে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যেও। তড়িঘড়ি কোনোও পদক্ষেপ না নিলে ভেঙে পড়তে পারে পাকিস্তানের অর্থনীতি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ