Bartaman Logo
৬ জুলাই, ২০২৬

আদালতে ‘মূল বন্দুকবাজ’ ইয়াসিন মালিককে শনাক্ত করলেন ২ সাক্ষী

১৯৯০ সালে জম্মু-কাশ্মীরে খুন করা হয় ভারতীয় বায়ুসেনার চার আধিকারিককে। টাডা আদালতে চলছে সেই মামলার শুনানিতে। তাতে বড় ধাক্কা জম্মু ও কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্ট (জেকেএলএফ)-এর প্রাক্তন নেতা ইয়াসিন মালিকের।

আদালতে ‘মূল বন্দুকবাজ’ ইয়াসিন মালিককে শনাক্ত করলেন ২ সাক্ষী
  • ২৪ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: ১৯৯০ সালে জম্মু-কাশ্মীরে খুন করা হয় ভারতীয় বায়ুসেনার চার আধিকারিককে। টাডা আদালতে চলছে সেই মামলার শুনানিতে। তাতে বড় ধাক্কা জম্মু ও কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্ট (জেকেএলএফ)-এর প্রাক্তন নেতা ইয়াসিন মালিকের। আদালতে এই বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাকে মূল হামলাকারী হিসেবে শনাক্ত করলেন দুই সাক্ষী। তাঁরা জানিয়েছেন, গুলি চালনায় মূল বন্দুকবাজ মালিকই। উল্লেখ্য, ৩৫ বছরের আগের ওই ঘটনায় স্কোয়াড্রন লিডার রবি খান্না সহ বায়ুসেনার চারজন আধিকারিকের মৃত্যু হয়। আরও ২২ জন জখম হয়েছিলেন।

Advertisement

এদিন এক সাক্ষীকে পাল্টা প্রশ্ন করেন মূল অভিযুক্ত। জবাবে ওই ব্যক্তি মালিকের দিকে তাকিয়ে স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘বড় দাড়ি ছাড়া আপনার মুখ খুব একটা বদলায়নি। মূল হামলাকারী হিসেবে আপনাকে চিনতে কোনও সমস্যাই হচ্ছে না।’ এদিন আরও তিন অভিযুক্ত শওকত বক্সি, নান্না জি ও জাভেদ আহমেদও শনাক্ত করেছেন প্রধান সাক্ষী। ওই সাক্ষী জানান, তাঁর দিকেও একে ৪৭ তাক করেছিল নান্না জি। গুলি চালানোর ঠিক আগে স্থান পরিবর্তন করে প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন। পরদিন জানতে পারেন, গুলিবিদ্ধ চার আধিকারিকের মৃত্যু হয়েছে। 
সন্ত্রাসে আর্থিক মদত মামলায় আজীবন কারাদণ্ড হয়েছে মালিকের। বর্তমানে দিল্লির তিহার জেলে বন্দি মালিককে ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে শুনানিতে হাজির করানো হয়। মূল সাক্ষীকে প্রশ্ন করারও সুযোগ দিয়েছিল কোর্ট। আগামী ২৯ নভেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।     

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ