Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সোনার দুলের লোভে শিশু খুন, দোষী সাব্যস্ত প্রতিবেশী দুই বধূ

চার বছরের শিশুকন্যাটির কানে ছিল সোনার দুল। সেই সোনার দুলের লোভে তাকে শ্বাসরোধ করে মেরে ফেলা হয়েছিল। খড়গ্রাম থানার দেবগ্রামে প্রায় ছ’ বছর আগের এই ঘটনায় শুক্রবার দুই প্রতিবেশী বধূকে দোষী সাব্যস্ত করা হল।

সোনার দুলের লোভে শিশু খুন, দোষী সাব্যস্ত প্রতিবেশী দুই বধূ
  • ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কান্দি: চার বছরের শিশুকন্যাটির কানে ছিল সোনার দুল। সেই সোনার দুলের লোভে তাকে শ্বাসরোধ করে মেরে ফেলা হয়েছিল। খড়গ্রাম থানার দেবগ্রামে প্রায় ছ’ বছর আগের এই ঘটনায় শুক্রবার দুই প্রতিবেশী বধূকে দোষী সাব্যস্ত করা হল। এদিন কান্দি মহকুমা আদালতের অতিরিক্ত জেলা দায়রা বিচারক তারকনাথ ভকত দুইজনকেই ৩৭৯ ও ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেন। শনিবার তাদের সাজা ঘাষণা করা হবে বলে জানান হয়েছে।

Advertisement

আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালের ২৭ নভেম্বর দেবগ্রামের চার বছরের শিশুকন্যা আর্জিনা খাতুনকে পরিবারের লোকজন দুপুরের দিকে পাড়ার একটি মুদির দোকানে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু তারপর থেকে ওই শিশুকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরের দিন বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে একটি পুকুরপাড়ে তার দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
আদালতের সরকারি আইনজীবী সুনীলকুমার চক্রবর্তী বলেন, দেহ উদ্ধারের সময় ওই শিশুর কানের সোনার দুল দু’টি ছিল না। কান দু’টি রক্তমাখা থাকায় সেগুলি ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল মনে করা হচ্ছে। এছাড়াও শিশুর গলায় কালশিটে থাকায় শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে মেরে ফেলা হয়েছে বলে বিচারক মনে করেছেন।
এদিকে শিশুর দেহ উদ্ধারের পর প্রতিবেশী দুই বধূ নাসিমা বিবি ও ফিনুর বিবি বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে চলে গিয়েছিল। তাতে সন্দেহ বাড়ে শিশুর পরিবারে। দেহ উদ্ধারের পরদিন শিশুর বাবা আজিজুল শেখ খড়গ্রাম থানায় ওই দুই বধূর নামে খুনের মামলা দায়ের করেন। এরপর পুলিশ দুইজনকে গ্রেপ্তার করে। তখন থেকেই ধৃত দুই মহিলা জেল হেফাজতে ছিল। এই মামলায় মোট ২৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। এদিন আদালতে দুই বধূকেই দোষী সাব্যস্ত করা হয়। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ