


ইন্দোর: ভোপালের ঔশবাগের ‘৯০ ডিগ্রি’র সেতু নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। সেই বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ইন্দোরে পোলো গ্রাউন্ডের কাছে জেড আকৃতির ব্রিজ নিয়ে ফের শুরু হল নয়া বিতর্ক। ভগীরথপুরা ও এমআর-৪ হয়ে লক্ষ্মীনগর থেকে পোলো গ্রাউন্ড যাওয়ার জন্য ওই সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। তা নিয়েই সমালোচনার ঝড় উঠেছে। স্থানীয় ট্রাকচালক থেকে শুরু করে এলাকাবাসীও সরকারের এহেন ‘অদ্ভুত’ ধরনের নির্মাণকাজ নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। এক ট্রাকচালক বলেন, ‘যদি কোনও দুর্ঘটনা ঘটে, তাহলে আমরা তার জন্য দায়ী থাকব না। সে জন্য সরকারকে জবাব দিতে হবে।’ ব্রিজ নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছেন শহরের বহু শিল্পপতিও। তাঁদের সকলেরই দাবি, জেড আকৃতির ওই ব্রিজ আগামী দিনে দুর্ঘটনার ‘হটস্পট’ হতে চলেছে।
অন্যদিকে, গত জুনেই ওই ব্রিজের ম্যাপ নিয়ে সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন ইন্দোরের সাংসদ শঙ্কর লালওয়ানি। বিতর্কের মাঝে তিনিই পূর্তমন্ত্রীকে চিঠি লিখে ওই নকশা বদলের জন্য জানিয়েছেন বলে খবর। সেই প্রসঙ্গে লালওয়ানি বলেন, ‘দুর্ঘটনাপ্রবণ ওই বাঁক পরিবর্তন করার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি করেছি।’ পূর্তদপ্তরের তরফেও সাংসদের ওই দাবি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানানো হয়েছে। প্রকল্পের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার গুরমিত কাউর ভাটিয়া বলেন, ‘আমরা ওই নকশা খতিয়ে দেখছি। প্রয়োজনমতো বদল করা হবে।’ যদিও এই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনও শুরু হয়েছে। কংগ্রেস নেতা সজ্জন সিং ভার্মা বলেন, রাজ্যের মন্ত্রীরা নিদ্রামগ্ন। পূর্তমন্ত্রীও সম্পূর্ণ অজ্ঞ। মনে হচ্ছে, ইন্দোরের ইঞ্জিনিয়ার ভোপাল থেকে শিক্ষা না নিয়ে উল্টে এবার দু’টি ৯০ ডিগ্রি বাঁক করে দিতে তৎপর। যদিও পূর্তমন্ত্রী রাকেশ সিং বলেন, ‘আধিকারিকরা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই কাজ করেছেন। ওই বাঁকে গাড়ির গতি প্রতি ঘণ্টায় ২০ কিলোমিটার থাকার কথা। সেক্ষেত্রে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা কম। যদিও এবার ওই ব্রিজের নকশা পরিবর্তন করা হচ্ছে।’