Bartaman Logo
১৩ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

কলকাতা ও হাওড়ায় ওয়ার্ড সংখ্যা বাড়াতে পাশ জোড়া বিল, হাওড়ার উন্নয়নে মাস্টারপ্ল্যান: পুরমন্ত্রী

বিশেষ অধিবেশন ডেকে বুধবার বিধানসভায় কলকাতা ও হাওড়া পুরসভা সংক্রান্ত দু’টি বিল পাশ করাল রাজ্য সরকার।

কলকাতা ও হাওড়ায় ওয়ার্ড সংখ্যা বাড়াতে পাশ জোড়া বিল, হাওড়ার উন্নয়নে মাস্টারপ্ল্যান: পুরমন্ত্রী
  • ১৩ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিশেষ অধিবেশন ডেকে বুধবার বিধানসভায় কলকাতা ও হাওড়া পুরসভা সংক্রান্ত দু’টি বিল পাশ করাল রাজ্য সরকার।  বিল দু’টির মূল বিষয়বস্তু ওয়ার্ড সংখ্যা বৃদ্ধি। তবে পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত আরও বেশ কিছু পদক্ষেপ করা হবে বলে এদিন বিধানসভায় জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

Advertisement

এদিন বিধানসভায় পাশ হয় ‘দ্য কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন অ্যামেন্ডমেন্ট বিল ২০২৬।’ এর মাধ্যমে কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ড সংখ্যা ১৪৪ থেকে বা঩ড়িয়ে করা হবে ২০৯। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এই বিলের ভিত্তিতে ওয়ার্ড সংখ্যা বৃদ্ধি ছাড়াও ওয়ার্ডের বাউন্ডারি, ভোটার সংখ্যা, জনসংখ্যা নির্ধারণ করা হবে। রাজ্য নির্বাচন কমিশন, ভূমি দপ্তর ও পুরপ্রশাসন কাজটি করবে। তারপর প্রকাশিত হবে খসড়া বিজ্ঞপ্তি। কোনো অভিযোগ থাকলে তখন জানানো যাবে। দু’বার সর্বদলীয় বৈঠক হবে। তারপর ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের পূর্ণাঙ্গ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।’ 
প্রাক্তন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম উল্লেখ করেন, ‘নীতিগতভাবে বিলের বিরোধিতা করছি না। কিন্তু সবটা আমলাদের উপর ছেড়ে না দিয়ে বিল পেশের আগে সর্বদলীয় বৈঠক করা যেত।’ তখন ফিরহাদের উদ্দেশে বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ খোঁচা দিয়ে বলেন, ‘পুরসভা ছে‌঩ড়ে পালালেন কেন?’ বিজেপি বিধায়ক রীতেশ তিওয়ারির কটাক্ষ, ‘কলকাতায় যখন অবৈধ বিল্ডিং তৈরি হয়েছিল, তখন আপনারা ব্যবস্থা নেননি কেন?’ এদিন তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় প্রশ্ন তোলেন, ‘২০৯টি ওয়ার্ডেই কাউন্সিলার নির্বাচন হবে তো? নাকি ৬৫টি ওয়ার্ডে মনোনীত করা হবে?’ পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জবাবে বলেন, ‘কোনো ওয়ার্ডে মনোনীত করার বিষয় নেই।’ 
এদিনই বিধানসভায় পাশ হয়েছে ‘দ্য হাওড়া মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন সেকেন্ড অ্যামেন্ডমেন্ট বিল ২০২৬।’ এই বিলের মাধ্যমে হওড়া পুরসভার ওয়ার্ড সংখ্যা ৫০ থেকে বেড়ে হবে ৬৮। পুরমন্ত্রী বলেন, ‘১৫ বছর ক্ষমতায় থেকেও তৃণমূল হাওড়াবাসীকে নাগরিক পরিষেবা পৌঁছে দিতে পারেনি। পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা ফেরত গিয়েছে। আমরা হাওড়ার উন্নয়নের জন্য একটি মাস্টারপ্ল্যান আনছি। পানীয় জল, রাস্তা, নিকাশির বিষয়গুলি দেখা হবে। হাওড়ায় পুরভোট কবে হবে, রাজ্য নির্বাচন কমিশন এবং সরকার আলোচনা করে তা ঠিক করবে।’ 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ