Bartaman Logo
৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

নদীয়া জেলার জনা পঁচিশেক শ্রমিক সৌদিতে আটকে, ভিডিয়ো বার্তায় সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি

পেটের টানে বিদেশে পাড়ি দিয়েছিলেন। স্বপ্ন ছিল, সৌদি আরবে কাজ করে সংসারের আর্থিক অনটন মেটাবেন। কিন্তু সেখানে গিয়ে এখন অনিশ্চয়তায় কাটছে করিমপুরের দুই ভাই সহ নদীয়ার প্রায় ২৫-২৬ পরিযায়ী শ্রমিকের।

নদীয়া  জেলার জনা পঁচিশেক শ্রমিক সৌদিতে আটকে, ভিডিয়ো বার্তায় সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি
  • ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, তেহট্ট: পেটের টানে বিদেশে পাড়ি দিয়েছিলেন। স্বপ্ন ছিল, সৌদি আরবে কাজ করে সংসারের আর্থিক অনটন মেটাবেন। কিন্তু সেখানে গিয়ে এখন অনিশ্চয়তায় কাটছে করিমপুরের দুই ভাই সহ নদীয়ার প্রায় ২৫-২৬ পরিযায়ী শ্রমিকের। অভিযোগ, যে সংস্থায় কাজের জন্য তাঁরা সৌদি আরবে গিয়েছিলেন, সেখানে বর্তমানে কোনো কাজ নেই। ফলে বন্ধ হয়ে গিয়েছে উপার্জন। হাতে টাকা না থাকায় দৈনন্দিন খরচ চালানোর পাশাপাশি খাবার জোগাড় করতেও সমস্যায় পড়ছেন তাঁরা। তার মধ্যে প্রায় দু’ মাস আগে ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। দেশেও ফেরা যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে ভিডিয়ো বার্তার মাধ্যমে তাঁদের দ্রুত দেশে ফেরানোর জন্য সরকারকে আর্জি জানিয়েছেন শ্রমিকরা।

Advertisement

করিমপুর-২ ব্লকের মুরুটিয়া থানার সিংগাডাঙ্গা পূর্বপাড়ার বাসিন্দা দুই ভাই সুশান্ত কাপাসিয়া ও তাপস কাপাসিয়া পরিযায়ী শ্রমিকের হিসাবে সৌদি আরবে যান। তাঁদের দাবি, ইউসিসি কনস্ট্রাকশন কোম্পানি তে কাজের জন্য তাঁরা সেখানে গিয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমানে ওই সংস্থায় কোনো কাজ নেই। ফলে দীর্ঘদিন ধরে কার্যত কর্মহীন তাঁরা। সুশান্ত ও তাপসের অভিযোগ, কাজ না থাকায় তাঁদের হাতে টাকাও নেই। বিদেশের মাটিতে আয় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় খাবার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে পারছেন না। দুই ভাইয়ের দাবি, প্রায় দু’ মাস আগে তাঁদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। তারপরও তাঁরা সৌদি আরবে আটকে। দেশেও ফিরতে পারছেন না। এই পরিস্থিতির কথা জেনে উদ্বেগে তাঁদের পরিবার। তাঁদের দাবি, সংসারের আর্থিক অনটন দূর করতেই তাঁরা বিদেশে গিয়েছিলেন। তাঁদের দ্রুত সরকারি উদ্যোগে তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনার আবেদন জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।
জানা গিয়েছে, শুধু সুশান্ত ও তাপস নন,ওই সংস্থায় কাজ করতে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় ৭০ শ্রমিক সৌদি আরবে গিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে নদীয়া জেলারই প্রায় ২৫-২৬ জন শ্রমিক। অনেকেই বর্তমানে একই সমস্যার মধ্যে পড়েছেন বলে অভিযোগ। কাজ না থাকা এবং ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় তাঁদেরও দেশে ফেরা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
শ্রমিকদের পরিবারের পক্ষ থেকে ভারত সরকারের কাছে তাঁদের দেশে ফেরানোর আবেদন জানানো হয়েছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ