নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: নিউটাউন সহ বিধাননগরের বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে অসংখ্য টোটো। কিন্তু, কত টোটো চলাচল করে, তাদের কতজন মালিক, কতজন ভাড়া নিয়ে চালাচ্ছেন, সেই তথ্য নেই। নিউটাউনের লোহাপুলে এক কিশোরীকে ধর্ষণ ও খুনে এক টোটোচালক গ্রেপ্তার হয়েছে। এরপরই বিধাননগরে টোটোর উপর নজরদারি শুরু করেছে পুলিস। শুরু হচ্ছে তথ্য সংগ্রহের কাজও। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই তথ্য হাতে এলে একটি ডেটাব্যাঙ্ক তৈরি করা সম্ভব হবে। ফলে, যে কোনও ঘটনার তদন্তে তা কাজে আসবে।
Advertisement
নিউটাউনে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় ৮ ফেব্রুয়াতি রাতে টোটোচালক সৌমিত্র রায়কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। তদন্তে পুলিস জানতে পেরেছে, ওই টোটোটি তাঁর নিজস্ব নয়। সে ভাড়া নিয়ে চালাত। অর্থাৎ, অন্য একজনের নামে ওই টোটোটি রয়েছে। প্রশাসন ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বাস, ছোট গাড়ি বা অটো– সবার নম্বর প্লেট আছে। তাদের সবার নাম ও রেজিস্ট্রেশন নথিভুক্ত। কিন্তু, সেইরকম টোটোর তালিকা নথিভুক্ত নয়। ফলে, কোথায় কত টোটো রয়েছে, তার হিসেবও নেই। টোটো শনাক্ত করার জন্যও তালিকা তৈরি প্রয়োজন।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, টোটোর স্ট্যান্ডে গিয়েও ওই ধরনের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। রাতের বেলায় পুলিস মূল রাস্তায় নাকা চেকিং করে। এত রাতে খুব একটা টোটো চলাচল করে না। করলেও ভিতরের রাস্তা দিয়ে। ফলে, টোটো চেকিং হয় না বললেই চলে। তাই এবার টোটোর উপর চলবে নজরদারি। অনেকে প্যাডেল রিকশয় মোটর ও ব্যাটারি লাগিয়ে তা টোটোর মতো বানিয়ে ফেলেছেন। সেই ধরনের গাড়িও হিসেব করা হবে। কারণ, সেগুলিও টোটোর মতোই চলছে। তবে, এটি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। ধীরে ধীরে করা হবে বলে জানা গিয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, টোটোর স্ট্যান্ডে গিয়েও ওই ধরনের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। রাতের বেলায় পুলিস মূল রাস্তায় নাকা চেকিং করে। এত রাতে খুব একটা টোটো চলাচল করে না। করলেও ভিতরের রাস্তা দিয়ে। ফলে, টোটো চেকিং হয় না বললেই চলে। তাই এবার টোটোর উপর চলবে নজরদারি। অনেকে প্যাডেল রিকশয় মোটর ও ব্যাটারি লাগিয়ে তা টোটোর মতো বানিয়ে ফেলেছেন। সেই ধরনের গাড়িও হিসেব করা হবে। কারণ, সেগুলিও টোটোর মতোই চলছে। তবে, এটি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। ধীরে ধীরে করা হবে বলে জানা গিয়েছে।



