সংবাদদাতা, মালদহ: প্রয়াগরাজে চলছে মহাকুম্ভ। ১৪৪ বছর পরে সমাগত এই মহাকুম্ভে অংশ নিতে গিয়ে চরম সমস্যায় পড়ছেন মালদহের হাজার হাজার বাসিন্দা। তাঁদের অনেকেই দুষছেন ট্রেনে টিকিটের আকালকে। মালদহ থেকে প্রয়াগরাজে পৌঁছনোর জন্য মালদহবাসীর ভরসা মূলত দুটি ট্রেন। ফরাক্কা এক্সপ্রেসে করে পৌঁছনো যায় বারাণসী অথবা দীনদয়াল উপাধ্যায় জংশনে। ওই দুটি স্টেশন থেকে সহজেই প্রয়াগরাজে পৌঁছনো সম্ভব। অপরটি ব্রহ্মপুত্র মেইল। যে ট্রেন মালদহের বাসিন্দাদের সরাসরি প্রয়াগরাজে পৌঁছে দিতে পারে। কিন্তু যে বিপুল সংখ্যক যাত্রী মহাকুম্ভে পৌঁছতে চাইছেন, তার তুলনায় এই দুটি ট্রেনে মালদহ থেকে বরাদ্দ আসনের সংখ্যা নিতান্তই কম। ফলে বিপাকে পড়ছেন বেশিরভাগ মানুষ। ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় সরকারের উপরে।
Advertisement
মালদহ থেকে কুম্ভমেলায় যাওয়ার ইচ্ছা স্কুল শিক্ষিকা রুমাশ্রী মণ্ডলের। তিনি বলেন, মালদহ থেকে প্রয়াগরাজে যাওয়ার একটি ট্রেনেও টিকিট পাইনি। বাধ্য হয়ে পাটনা যেতে হচ্ছে। সেখান থেকে ট্রেন বদল করে অনেক ঝক্কি সামলে প্রয়াগরাজে যেতে হবে। মহাকুম্ভ ১৪৪ বছর পরে হয়। এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চাই না। রেল কর্তৃপক্ষের উচিৎ ছিল মালদহের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন থেকে কুম্ভ স্পেশাল অন্তত একটি ট্রেন এই বিশেষ সময়ের জন্য চালু করা।
একই ভোগান্তির শিকার সান্ধ্যদীপ বোস। বলেন, মহাকুম্ভে স্নান করার ইচ্ছে রয়েছে মাঘী পূর্ণিমাতে। কিন্তু টিকিটের হাহাকার। বিমানের টিকিটের দাম প্রায় চারগুণ বেড়ে গিয়েছে। আমাদের মতো মধ্যবিত্তের পক্ষে এতটাকা দিয়ে বিমানের টিকিট কাটা সম্ভব নয়। কেন্দ্রীয় সরকার মানুষের কথা ভাবলে বেসরকারি বিমান সংস্থাগুলিকে টিকিটের দাম মানুষের নাগালের মধ্যে রাখার নির্দেশ দিতে পারতেন। কিন্তু এরপরেও দমতে নারাজ সাধারণ মানুষ। কেউ পাটনা হয়ে আবার কেউ গাড়ি ভাড়া করে সড়ক পথেই রওনা হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন মহাকুম্ভে মহাস্নান করার লক্ষ্যে। যাঁদের সেই সামর্থ্য নেই তাঁরা কোনও মতে ফরাক্কা এক্সপ্রেস বা ব্রহ্মপুত্র মেলের সাধারণ কামরায় কোনও মতে মাথা গুঁজে যাওয়ার চেষ্টা করছেন রোজই। তাই মহাকুম্ভ চলাকালীন মালদহ টাউন স্টেশনে থিকথিকে ভিড় জমছে মানুষের।
একই ভোগান্তির শিকার সান্ধ্যদীপ বোস। বলেন, মহাকুম্ভে স্নান করার ইচ্ছে রয়েছে মাঘী পূর্ণিমাতে। কিন্তু টিকিটের হাহাকার। বিমানের টিকিটের দাম প্রায় চারগুণ বেড়ে গিয়েছে। আমাদের মতো মধ্যবিত্তের পক্ষে এতটাকা দিয়ে বিমানের টিকিট কাটা সম্ভব নয়। কেন্দ্রীয় সরকার মানুষের কথা ভাবলে বেসরকারি বিমান সংস্থাগুলিকে টিকিটের দাম মানুষের নাগালের মধ্যে রাখার নির্দেশ দিতে পারতেন। কিন্তু এরপরেও দমতে নারাজ সাধারণ মানুষ। কেউ পাটনা হয়ে আবার কেউ গাড়ি ভাড়া করে সড়ক পথেই রওনা হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন মহাকুম্ভে মহাস্নান করার লক্ষ্যে। যাঁদের সেই সামর্থ্য নেই তাঁরা কোনও মতে ফরাক্কা এক্সপ্রেস বা ব্রহ্মপুত্র মেলের সাধারণ কামরায় কোনও মতে মাথা গুঁজে যাওয়ার চেষ্টা করছেন রোজই। তাই মহাকুম্ভ চলাকালীন মালদহ টাউন স্টেশনে থিকথিকে ভিড় জমছে মানুষের।



