নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতার গল্ফগ্রিন থানার ওসি করুণাশঙ্কর সিংকে হেড কোয়ার্টার ফোর্সে ‘ক্লোজ’ করা হল। থানার অ্যাডিশনাল ওসি অরুণকুমার সরকার আপাতত ওসির দায়িত্ব পালন করবেন। মঙ্গলবার কলকাতার পুলিস কমিশনার এই সংক্রান্ত একটি লিখিত নির্দেশিকা জারি করেছেন।
Advertisement
স্বাভাবতই এই নির্দেশিকা জারির পর কলকাতা পুলিসের ওসিদের মধ্যে তীব্র জল্পনা শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, কেন হঠাৎ করে, একজন ওসিকে থানা থেকে সরিয়ে ‘ক্লোজ’ করতে হল। যদিও কলকাতা পুলিসের যুগ্ম কমিশনার (সদর) মিরাজ খালিদ লালবাজারে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘প্রশাসনিক কারণে এই ‘ক্লোজ’ করা হয়েছে।’
তবে কলকাতা পুলিসের এক সূত্র জানাচ্ছে, অভিযোগ, গত মাসের শেষ দিকে যাদবপুর এলাকায় এক তরুণীর অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন এই ওসি। এই ঘটনায় ওসির ভূমিকায় রীতিমতো ক্ষুব্ধ হন পুলিস কমিশনার মনোজ ভার্মা। তার জেরেই একটি তদন্ত শুরু হয়। তার ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে।
তবে এবার ‘ক্লোজ’ করার কারণ যাই হোক না কেন? চাকরি জীবনে একাধিক বিতর্কে জড়িয়েছেন ১৯৯৬ ব্যাচের ইনসপেক্টর এই করুণাশঙ্কর সিং। ২০১৪ সালে তিনি ভবানীপুর থানার সেকেন্ড অফিসার ছিলেন। তখন এসএসকেএম হস্টেলে মাদক খেয়ে চিকিৎসকের মৃত্যু হয়। ওই মামলায় আদালতে নথি ফরওয়ার্ড করার ক্ষেত্রে অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনারের বদলে ওসিকে দিয়ে ফরওয়ার্ড করানোয় আদালতের তাঁকে রোষে পড়তে হয়েছিল বলে অভিযোগ।
আবার, ২০১৯ সালে সেপ্টেম্বরে এই গল্ফগ্রিন থানার ওসি থাকাকালীন আজাদগড় এলাকার এক যুবককে সিভিক দিয়ে বাড়ি থেকে তুলে আনা হয়। সেই পথে এক নির্মীয়মাণ বহুতলে মারধর করা হয় ওই যুবককে। ওই ঘটনায় ওই যুবকের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় গল্ফগ্রিন থানার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে পুলিসের মারধরে মৃত্যু হয়েছে ওই যুবকের।
বর্তমানে এই মামলা বিচারাধীন। যদিও ঘটনার দিন ওসি ছুটিতে ছিলেন। তবে থানার সর্বময় কর্তা হিসেবে তিনি দায় এড়াতে পারেন না। আবার, এবার পুজোর মুখে রবীন্দ্র সরোবর লেকে রাতের অন্ধকারে বেসরকারি গাড়ি নিয়ে ঢোকেন তিনি। তখন আবার স্থানীয় থানার টহলদারি এএসআইয়ের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
তবে কলকাতা পুলিসের এক সূত্র জানাচ্ছে, অভিযোগ, গত মাসের শেষ দিকে যাদবপুর এলাকায় এক তরুণীর অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন এই ওসি। এই ঘটনায় ওসির ভূমিকায় রীতিমতো ক্ষুব্ধ হন পুলিস কমিশনার মনোজ ভার্মা। তার জেরেই একটি তদন্ত শুরু হয়। তার ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে।
তবে এবার ‘ক্লোজ’ করার কারণ যাই হোক না কেন? চাকরি জীবনে একাধিক বিতর্কে জড়িয়েছেন ১৯৯৬ ব্যাচের ইনসপেক্টর এই করুণাশঙ্কর সিং। ২০১৪ সালে তিনি ভবানীপুর থানার সেকেন্ড অফিসার ছিলেন। তখন এসএসকেএম হস্টেলে মাদক খেয়ে চিকিৎসকের মৃত্যু হয়। ওই মামলায় আদালতে নথি ফরওয়ার্ড করার ক্ষেত্রে অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনারের বদলে ওসিকে দিয়ে ফরওয়ার্ড করানোয় আদালতের তাঁকে রোষে পড়তে হয়েছিল বলে অভিযোগ।
আবার, ২০১৯ সালে সেপ্টেম্বরে এই গল্ফগ্রিন থানার ওসি থাকাকালীন আজাদগড় এলাকার এক যুবককে সিভিক দিয়ে বাড়ি থেকে তুলে আনা হয়। সেই পথে এক নির্মীয়মাণ বহুতলে মারধর করা হয় ওই যুবককে। ওই ঘটনায় ওই যুবকের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় গল্ফগ্রিন থানার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে পুলিসের মারধরে মৃত্যু হয়েছে ওই যুবকের।
বর্তমানে এই মামলা বিচারাধীন। যদিও ঘটনার দিন ওসি ছুটিতে ছিলেন। তবে থানার সর্বময় কর্তা হিসেবে তিনি দায় এড়াতে পারেন না। আবার, এবার পুজোর মুখে রবীন্দ্র সরোবর লেকে রাতের অন্ধকারে বেসরকারি গাড়ি নিয়ে ঢোকেন তিনি। তখন আবার স্থানীয় থানার টহলদারি এএসআইয়ের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।



