সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: ট্রেনের ধাক্কায় হাতির মৃত্যু ঠেকাতে আন্ডারপাস তৈরি করবে রেল। সোমবার এই নিয়ে বিষ্ণুপুরে বনদপ্তর ও রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের বৈঠক হয়। সেখানে রেলের পক্ষে হাতির যাতায়াতের পথে আন্ডারপাস তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়। বনদপ্তর খুব শীঘ্রই রেলপথের যেসব জায়গা দিয়ে হাতির দল পারাপার করে সেই সব স্থান চিহ্নিত করার ব্যাপারে আশ্বস্ত করে। বৈঠকে বনদপ্তরের সিসিএফ (পশ্চিমাঞ্চল) বিজয় শালিমাঠ, সিসিএফ (কেন্দ্রীয়) এস কুলান ডেইভাল ছাড়াও বাঁকুড়ার তিন ডিভিশনের আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।
Advertisement
বিষ্ণুপুরের ডিএফও রাজু সরকার বলেন, অনেক জায়গাতেই রেললাইন পারাপার করতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় হাতির মৃত্যু ঘটছে। উত্তরবঙ্গ ছাড়া বিষ্ণুপুরেও কয়েকবছর আগে ট্রেনের ধাক্কায় একাধিক হাতির মৃত্যু হয়েছে। তারপর থেকে বনদপ্তরের প্রস্তাবে সায় দিয়ে হাতির করিডরে ট্রেনের গতিবেগ কমানো হয়।
প্রসঙ্গত, গত কয়েক দশক ধরে দলমার বুনো হাতির দল খাবারের সন্ধানে পশ্চিম মেদিনীপুর এবং বাঁকুড়া জেলায় নিয়মিত যাতায়াত করছে। কখনও ছোট আবার কখনও বড় দলে গড়বেতা হয়ে বাঁকুড়ার বাঁকাদহ রেঞ্জ এলাকায় হাতি ঢোকে। সেখান থেকে বিষ্ণুপুর, জয়পুর, সোনামুখী, বেলিয়াতোড় হয়ে বড়জোড়া রেঞ্জে ঢোকে। আবার একই রাস্তায় ফেরে। বছরে তিন-চারবার এভাবে যাতায়াত করে। ওই রুটের মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের আদ্রা-খড়্গপুর রেললাইন রয়েছে। বিশেষ করে গড়বেতার ধাদিকা বিটের নাচনজাম, কুইলিবাইদ এবং বাঁকুড়ার পিয়ারডোবা, ভালকি, কুলুপুকুর, ঘুগিমুড়া প্রভৃতি গ্রামের কাছে রেললাইন পারাপার করে হাতির দল। ঘুগিমুড়া গ্রামের কাছে কয়েক বছর আগে ট্রেনের ধাক্কায় তিনটি হাতি ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। তারপর থেকে গড়বেতার বগড়ি রোড থেকে বিষ্ণুপুর পর্যন্ত প্রায় ১৮ কিলোমিটার রেলপথে ট্রেনের গতি কমানো হয়। তবে রেলদপ্তর হাতিদের যাতায়াতের পথে আন্ডারপাস তৈরি করে দিলে হাতি ও ট্রেনের সংঘর্ষ এড়ানো যাবে।
প্রসঙ্গত, গত কয়েক দশক ধরে দলমার বুনো হাতির দল খাবারের সন্ধানে পশ্চিম মেদিনীপুর এবং বাঁকুড়া জেলায় নিয়মিত যাতায়াত করছে। কখনও ছোট আবার কখনও বড় দলে গড়বেতা হয়ে বাঁকুড়ার বাঁকাদহ রেঞ্জ এলাকায় হাতি ঢোকে। সেখান থেকে বিষ্ণুপুর, জয়পুর, সোনামুখী, বেলিয়াতোড় হয়ে বড়জোড়া রেঞ্জে ঢোকে। আবার একই রাস্তায় ফেরে। বছরে তিন-চারবার এভাবে যাতায়াত করে। ওই রুটের মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের আদ্রা-খড়্গপুর রেললাইন রয়েছে। বিশেষ করে গড়বেতার ধাদিকা বিটের নাচনজাম, কুইলিবাইদ এবং বাঁকুড়ার পিয়ারডোবা, ভালকি, কুলুপুকুর, ঘুগিমুড়া প্রভৃতি গ্রামের কাছে রেললাইন পারাপার করে হাতির দল। ঘুগিমুড়া গ্রামের কাছে কয়েক বছর আগে ট্রেনের ধাক্কায় তিনটি হাতি ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। তারপর থেকে গড়বেতার বগড়ি রোড থেকে বিষ্ণুপুর পর্যন্ত প্রায় ১৮ কিলোমিটার রেলপথে ট্রেনের গতি কমানো হয়। তবে রেলদপ্তর হাতিদের যাতায়াতের পথে আন্ডারপাস তৈরি করে দিলে হাতি ও ট্রেনের সংঘর্ষ এড়ানো যাবে।



