নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: রানাঘাট দক্ষিণের বিধায়ক মুকুটমণি অধিকারীর নেতৃত্বে এমএলএ কাপের আয়োজন ঘিরে তুমুল বিতর্ক দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় পোস্টারে লেখা হয়েছে, রানাঘাট-২ ব্লকের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে এই টুর্নামেন্ট আয়োজিত হচ্ছে। কিন্তু এর বিন্দুবিসর্গ জানেন না টিএমসিপি’র রানাঘাট ‘এ’ ও ‘বি’ ব্লকের সভাপতিরা! এঘটনায় শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। বিধায়কের অবশ্য দাবি, সবাইকেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
Advertisement
তৃণমূলের একটি সূত্রে খবর, মুকুটমণি অধিকারী বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে আসার পর থেকেই রানাঘাট দক্ষিণ কেন্দ্রে শাসকদলে আড়াআড়ি দু’টি গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে। একটি গোষ্ঠী বিধায়কপন্থী। অপর গোষ্ঠী রানাঘাট পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান আনন্দ দে’র অনুগামী। এই দুই গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বের জেরে মাঝেমধ্যেই তৃণমূলকে আতান্তরে পড়তে হয়। আটদলীয় এমএলএ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘোষণা হতেই দ্বন্দ্ব একেবারে প্রকাশ্যে চলে এল।
জায়গায় জায়গায় পোস্টারে এমএলএ কাপের আয়োজক হিসেবে রানাঘাট-২ ব্লক তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নাম রয়েছে। অথচ রানাঘাটে টিএমসিপি’র দুই সাংগঠনিক ব্লকের সভাপতিরা কেউ এমন কর্মসূচির কথা জানেন না। এমনকী, তাঁদের আমন্ত্রণও জানানো হয়নি বলে অভিযোগ। বিতর্ক শুধু এটুকুতেই থেমে নেই। টুর্নামেন্ট আয়োজনের যে কার্ড ছাপা হয়েছে, তাতে ব্লকের অন্যতম প্রবীণ তৃণমূল নেতা তথা রানাঘাট-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আশিস দাসেরও নাম নেই। স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূলের অন্দরে চর্চা হচ্ছে, মুকুটপন্থী নেতারা ছাড়া কেউ কল্কে পাননি। আর সেজন্যই তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নামে টুর্নামেন্ট আয়োজন হলেও সেই সংগঠনের পদাধিকারীরাই তাতে আমন্ত্রিত নন।
এবিষয়ে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রানাঘাট-২ ‘এ’ ব্লকের সভাপতি রাজীব মজুমদার বলেন, আমাকে আমন্ত্রণও জানানো হয়নি। সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখেছি, এরকম একটা টুর্নামেন্ট আয়োজন হচ্ছে। তাও আবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নামে।
টুর্নামেন্টের কথা জানেন না বলে দাবি করেছেন টিএমসিপি’র রানাঘাট-২ ‘বি’ ব্লকের সভাপতি শুভম সর্দারও। তিনি বলেন, আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। কারা আয়োজন করছে, তাও বলতে পারব না। তৃণমূল ছাত্র পরিষদ অন্তত আয়োজন করছে না। পাশের পার্টের সভাপতি রাজীবের সঙ্গেও কথা বলেছি। তাঁকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
বিপক্ষ গোষ্ঠীর লোক হওয়ার জন্যই কি এই দুই নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি? এপ্রশ্নের উত্তরে বিধায়ক বলেন, সবাইকেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কেউ বাদ যায়নি। রাজ্য নেতৃত্বকে যেমন জানানো হয়েছে, তেমনই ব্লক স্তরের সবাই জানেন। যদিও নাম প্রকাশ না করার শর্তে তৃণমূলের কিছু নেতা দাবি করেন, মুকুটের বিপক্ষ গোষ্ঠীকে পরিকল্পিতভাবেই ‘সাইডলাইনে’ পাঠানোর চেষ্টা চলছে।
জায়গায় জায়গায় পোস্টারে এমএলএ কাপের আয়োজক হিসেবে রানাঘাট-২ ব্লক তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নাম রয়েছে। অথচ রানাঘাটে টিএমসিপি’র দুই সাংগঠনিক ব্লকের সভাপতিরা কেউ এমন কর্মসূচির কথা জানেন না। এমনকী, তাঁদের আমন্ত্রণও জানানো হয়নি বলে অভিযোগ। বিতর্ক শুধু এটুকুতেই থেমে নেই। টুর্নামেন্ট আয়োজনের যে কার্ড ছাপা হয়েছে, তাতে ব্লকের অন্যতম প্রবীণ তৃণমূল নেতা তথা রানাঘাট-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আশিস দাসেরও নাম নেই। স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূলের অন্দরে চর্চা হচ্ছে, মুকুটপন্থী নেতারা ছাড়া কেউ কল্কে পাননি। আর সেজন্যই তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নামে টুর্নামেন্ট আয়োজন হলেও সেই সংগঠনের পদাধিকারীরাই তাতে আমন্ত্রিত নন।
এবিষয়ে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রানাঘাট-২ ‘এ’ ব্লকের সভাপতি রাজীব মজুমদার বলেন, আমাকে আমন্ত্রণও জানানো হয়নি। সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখেছি, এরকম একটা টুর্নামেন্ট আয়োজন হচ্ছে। তাও আবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নামে।
টুর্নামেন্টের কথা জানেন না বলে দাবি করেছেন টিএমসিপি’র রানাঘাট-২ ‘বি’ ব্লকের সভাপতি শুভম সর্দারও। তিনি বলেন, আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। কারা আয়োজন করছে, তাও বলতে পারব না। তৃণমূল ছাত্র পরিষদ অন্তত আয়োজন করছে না। পাশের পার্টের সভাপতি রাজীবের সঙ্গেও কথা বলেছি। তাঁকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
বিপক্ষ গোষ্ঠীর লোক হওয়ার জন্যই কি এই দুই নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি? এপ্রশ্নের উত্তরে বিধায়ক বলেন, সবাইকেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কেউ বাদ যায়নি। রাজ্য নেতৃত্বকে যেমন জানানো হয়েছে, তেমনই ব্লক স্তরের সবাই জানেন। যদিও নাম প্রকাশ না করার শর্তে তৃণমূলের কিছু নেতা দাবি করেন, মুকুটের বিপক্ষ গোষ্ঠীকে পরিকল্পিতভাবেই ‘সাইডলাইনে’ পাঠানোর চেষ্টা চলছে।



