নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ট্রেনিং শেষে আজ, বুধবার কলকাতা পুলিসে সার্জেন্ট, সাব ইনসপেক্টর মিলিয়ে মোট ২৬১ জন অফিসার যোগ দিচ্ছেন। ফলে ভাঙড় অধিগ্রহণের পর কলকাতা পুলিসে অফিসারের যে বিপুল ঘাটতি ছিল, তা সামান্য হলেও মিটতে চলেছে।
Advertisement
লালবাজারের এক সূত্র জানাচ্ছেন, আজ বুধবার সকাল দশটায় হাওড়ার ডুমুরজলাতে কলকাতা পুলিস ট্রেনিং একাডেমিতে পাসিং আউট প্যারেড হবে। অনুষ্ঠানে কলকাতার পুলিস কমিশনার মনোজ ভার্মা ছাড়াও কলকাতা পুলিসের পদস্থ কর্তারা উপস্থিত থাকবেন। প্রথামাফিক এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ১৪৩ জন সাব ইন্সপেক্টর, ৯৯ জন সার্জেন্ট এবং ১৯ জন মহিলা এসআই কলকাতা পুলিস বাহিনীতে যোগ দেবেন। নিয়োগ পরীক্ষায় সফল হওয়ার পর গত বছর নভেম্বর মাসে তাঁদের ট্রেনিং শুরু হয়েছিল।
ইতিমধ্যেই এসআই, মহিলা এসআই এবং সার্জেন্টদের সম্ভাব্য একটি বদলি তালিকা প্রকাশ করেছে লালবাজার। আপাতত হাতেকলমে কাজ শিখবেন এই অফিসাররা। তারপরই তাঁদের চুড়ান্ত বা ফাইনাল পোস্টিং দেওয়া হবে। কলকাতা পুলিসের দশটি ডিভিশনের পাশাপাশি এসটিএফ, কমব্যাট, ট্রাফিক, ব্যাটালিয়নে—এই নতুন অফিসারদের বদলি করা হয়েছে। কিন্তু গোয়েন্দা বিভাগে সেই অর্থে বদলি নেই বললেই চলে। ফলে লালবাজারে গোয়েন্দা বিভগের অন্দরে প্রশ্ন উঠছে, তবে কি নতুন অফিসারদের গোয়েন্দা বিভাগে কাজ শেখার দরকার নেই?
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে কলকাতা পুলিসে শেষবার সার্জেন্ট, সাব ইন্সপেক্টর নিয়োগ করা হয়েছিল। তারপর থেকে দীর্ঘদিন এই নিয়োগ বন্ধ ছিল। ফলে কলকাতা পুলিসের থানা- ফাঁড়ি, গোয়েন্দা বিভাগ, এসটিএফ, স্পেশাল ব্রাঞ্চের মতো শাখা তদন্তকারী অফিসারের অভাবে কার্যত ধুঁকছিল। পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ভাঙড় অধিগ্রহণের পর এই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। তারপরই এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়।
ইতিমধ্যেই এসআই, মহিলা এসআই এবং সার্জেন্টদের সম্ভাব্য একটি বদলি তালিকা প্রকাশ করেছে লালবাজার। আপাতত হাতেকলমে কাজ শিখবেন এই অফিসাররা। তারপরই তাঁদের চুড়ান্ত বা ফাইনাল পোস্টিং দেওয়া হবে। কলকাতা পুলিসের দশটি ডিভিশনের পাশাপাশি এসটিএফ, কমব্যাট, ট্রাফিক, ব্যাটালিয়নে—এই নতুন অফিসারদের বদলি করা হয়েছে। কিন্তু গোয়েন্দা বিভাগে সেই অর্থে বদলি নেই বললেই চলে। ফলে লালবাজারে গোয়েন্দা বিভগের অন্দরে প্রশ্ন উঠছে, তবে কি নতুন অফিসারদের গোয়েন্দা বিভাগে কাজ শেখার দরকার নেই?
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে কলকাতা পুলিসে শেষবার সার্জেন্ট, সাব ইন্সপেক্টর নিয়োগ করা হয়েছিল। তারপর থেকে দীর্ঘদিন এই নিয়োগ বন্ধ ছিল। ফলে কলকাতা পুলিসের থানা- ফাঁড়ি, গোয়েন্দা বিভাগ, এসটিএফ, স্পেশাল ব্রাঞ্চের মতো শাখা তদন্তকারী অফিসারের অভাবে কার্যত ধুঁকছিল। পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ভাঙড় অধিগ্রহণের পর এই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। তারপরই এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়।



