নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মাদক খাইয়ে অচৈতন্য করে ট্রেনে লুট করার চক্রের খোঁজ পেল রেল পুলিস। শিয়ালদহ স্টেশন চত্বর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে দু’জনকে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে মাদক ট্যাবলেটসহ বিভিন্ন সামগ্রী। এই ট্যাবলেট চায়ের সঙ্গে মিশিয়ে তারা যাত্রীদের অজ্ঞান করত বলে জানা যাচ্ছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্টেশনে একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে খবর।
Advertisement
কয়েকদিন আগে শিয়ালদহ স্টেশনে দু’জনকে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ে, প্রথমে তারা যাত্রীদের সঙ্গে আলাপ জমাচ্ছে। নজরদারি করতে গিয়ে রেল পুলিসের অফিসাররা দেখেন, তারা বিভিন্ন লোকজনকে চা খাওয়ার প্রস্তাব দিচ্ছে। তা দেখে তাঁরা অনুমান করেন, মাদক খাইয়ে অজ্ঞান করে ট্রেন বা প্ল্যাটফর্ম থেকে লুটের চক্রের সদস্য হতে পারে এরা। তা না-হলে এভাবে আলাপ জমিয়ে চা খাওয়ার প্রস্তাব দেবে না। সন্দেহের ভিত্তিতে দু’জনকে আটক করে শিয়ালদহ জিআরপিতে নিয়ে আসা হয়। তল্লাশি চালাতেই তাদের কাছ থেকে মেলে মাদক ট্যাবলেট। এখান থেকেই তদন্তকারীরা নিশ্চিত হন মাদক খাইয়ে তারা জিনিসপত্র লুট করে।
ধৃতদের জেরা করে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, তারা শিয়ালদহ, হাওড়াসহ বিভিন্ন স্টেশনে ঘুরে বেড়াত। মূলত গ্রাম থেকে আসা ব্যক্তিরা থাকত তাদের টার্গেট। আলাপ জমানোর পর চা খাওয়ার প্রলোভন দেখাত। কেউ রাজি হলে অভিযুক্তদের একজন চা আনত। বাইরে থেকে চা কেনার পর তাতে মাদক ট্যাবলেট মিশিয়ে দিত অভিযুক্তরা। সেই চা তারা যাত্রীদের দিত। তা খাওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই জিনিস নিয়ে উধাও হয়ে যেত দুষ্কৃতীরা। এমনকী চলন্ত ট্রেনেও যাত্রীদের সঙ্গে আলাপ জমিয়ে তারা এই কাণ্ড ঘটাত। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ রয়েছে। এই গ্যাংয়ে আর ক’জন সদস্য রয়েছে জানার চেষ্টা করছে রেল পুলিস।
ধৃতদের জেরা করে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, তারা শিয়ালদহ, হাওড়াসহ বিভিন্ন স্টেশনে ঘুরে বেড়াত। মূলত গ্রাম থেকে আসা ব্যক্তিরা থাকত তাদের টার্গেট। আলাপ জমানোর পর চা খাওয়ার প্রলোভন দেখাত। কেউ রাজি হলে অভিযুক্তদের একজন চা আনত। বাইরে থেকে চা কেনার পর তাতে মাদক ট্যাবলেট মিশিয়ে দিত অভিযুক্তরা। সেই চা তারা যাত্রীদের দিত। তা খাওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই জিনিস নিয়ে উধাও হয়ে যেত দুষ্কৃতীরা। এমনকী চলন্ত ট্রেনেও যাত্রীদের সঙ্গে আলাপ জমিয়ে তারা এই কাণ্ড ঘটাত। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ রয়েছে। এই গ্যাংয়ে আর ক’জন সদস্য রয়েছে জানার চেষ্টা করছে রেল পুলিস।



