নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রোজগারের আশায় চাকরি করতে গিয়েছিলেন মধ্যবিত্ত পরিবারের এক তরুণী। খোদ চাকরিক্ষেত্রেই শ্লীলতাহানির শিকার হলেন তিনি। অভিযোগের তির ওই বেসরকারি সংস্থার উর্ধ্বতন কর্তার দিকেই। তরুণী প্রতিবাদ জানালে জুটল চুলের মুঠি ধরে বেধড়ক মার। কোম্পানির কর্ণধারের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই পার্ক স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন নির্যাতিতা তরুণী। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করেছে পুলিস।
Advertisement
নির্যাতিতা তরুণী মগরাহাট থানা এলাকার তসরালা গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বয়স ২৭ বছর। মাস পাঁচেক আগে পার্ক স্ট্রিট থানা এলাকার রফি আহমেদ কিদোয়াই রোডের একটি বেসরকারি সংস্থায় চাকরিতে নিযুক্ত হন তরুণী। তাঁর অভিযোগ, গত কয়েকমাস ধরেই অশালীন প্রস্তাব দিচ্ছিলেন কোম্পানির কর্ণধার মহেন্দ্র কুমার গোলচা। সেই প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় রাতবিরেতে ফোন, মেসেজ করে তরুণীকে উত্যক্ত করা হতো বলে অভিযোগ। লাগাতার অশালীন মেসেজ ও ফোনে বিরক্ত হয়ে পড়েন তরুণী। কর্ণধারের ফোনের জবাব দেওয়া বন্ধ করে দেন তরুণী কর্মী। অভিযোগকারিণী পুলিসকে জানিয়েছেন, গত ২৯ নভেম্বর তাঁকে অফিসে ডেকে পাঠান কর্ণধার মহেন্দ্র। শুক্রবার দুপুর ৩টে নাগাদ নিজের কেবিনে তরুণীর শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ। প্রতিবাদ করেন তরুণী। অভিযোগ, তখনই মারধর করা হয় নির্যাতিতাকে। চুলের মুঠি ধর চড়, থাপ্পড় মারা হয় তাঁকে। সেই গোটা ঘটনাটি নিজের মোবাইল ক্যামেরায় গোপনে বন্দি করে রাখেন তরুণী। এরপরেই অফিস ছেড়ে বেরিয়ে যান তিনি।
অফিস থেকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা করান নির্যাতিতা। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তরুণীকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। পরের সপ্তাহে অফিসে গেলেও তাঁর সঙ্গে অশালীন ব্যবহার করা হয় বলে অভিযোগ। তরুণী জানিয়েছেন, ‘অপমান সহ্য করতে না পেরে চাকরি ছেড়ে দিয়েছি’। গত ২ ডিসেম্বর পার্ক স্ট্রিট থানার দ্বারস্থ হন অভিযোগকারিণী। সেখানেই মেডিক্যাল রিপোর্টের ভিত্তিতে সংস্থার কর্ণধারের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি ও মারধরের লিখিত অভিযোগ করেন। তার ভিত্তিতে তদন্তে নেমেছে পুলিস। অফিসের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। অভিযোগকারিণীর মোবাইল থেকে ভিডিও ও হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট সংগ্রহ করছেন তাঁরা। উল্লেখ্য, আর জি কর হাসপাতালে কর্মরত অবস্থায় ধর্ষণ-খুন হন মহিলা চিকিৎসককে। সেই ঘটনা এখনও বিচারাধীন। তার জেরে শহরের কর্মক্ষেত্রে মহিলা নিরাপত্তা প্রশ্নচিহ্নের সামনে দাঁড়িয়ে যায়। আর জি করের পর এবার পার্ক স্ট্রিট। ফের চাকরিক্ষেত্রে মহিলা কর্মীর সুরক্ষা নিয়ে উঠল প্রশ্ন।
অফিস থেকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা করান নির্যাতিতা। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তরুণীকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। পরের সপ্তাহে অফিসে গেলেও তাঁর সঙ্গে অশালীন ব্যবহার করা হয় বলে অভিযোগ। তরুণী জানিয়েছেন, ‘অপমান সহ্য করতে না পেরে চাকরি ছেড়ে দিয়েছি’। গত ২ ডিসেম্বর পার্ক স্ট্রিট থানার দ্বারস্থ হন অভিযোগকারিণী। সেখানেই মেডিক্যাল রিপোর্টের ভিত্তিতে সংস্থার কর্ণধারের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি ও মারধরের লিখিত অভিযোগ করেন। তার ভিত্তিতে তদন্তে নেমেছে পুলিস। অফিসের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। অভিযোগকারিণীর মোবাইল থেকে ভিডিও ও হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট সংগ্রহ করছেন তাঁরা। উল্লেখ্য, আর জি কর হাসপাতালে কর্মরত অবস্থায় ধর্ষণ-খুন হন মহিলা চিকিৎসককে। সেই ঘটনা এখনও বিচারাধীন। তার জেরে শহরের কর্মক্ষেত্রে মহিলা নিরাপত্তা প্রশ্নচিহ্নের সামনে দাঁড়িয়ে যায়। আর জি করের পর এবার পার্ক স্ট্রিট। ফের চাকরিক্ষেত্রে মহিলা কর্মীর সুরক্ষা নিয়ে উঠল প্রশ্ন।



