সংবাদদাতা, কালিয়াগঞ্জ: ট্রাক্টর চালিয়ে কাজে যাওয়ার পথে মৃত্যু হল চালকের। বুধবার সকালে ট্রাক্টর উল্টে এই দুর্ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় হেমতাবাদ ব্লকের ঠাকুরবাড়ি এলাকায়। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম অরদীপ চড়ে। বাড়ি হেমতাবাদের বাড়ইবাড়িতে।
Advertisement
স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে খবর, অল্প বয়সে সংসারের হাল ধরতে অরদীপ ট্রাক্টর চালিয়ে ও শ্রমিকের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। বাড়িতে বাবা, মা এবং স্ত্রী রয়েছেন। বুধবার সকালে তিনি ট্রাক্টর চালিয়ে কাজে যাচ্ছিলেন। সেই সময় ট্রাক্টরটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে উলটে যায়। ট্রাক্টরের নীচে চাপা পড়ে যান অরদীপ। রক্তাক্ত ও অজ্ঞান অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে হেমতাবাদ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত অরদীপের বাবা বাবুলাল চড়ে বলেন, ছেলের বিয়ের ন’মাসও পূর্ণ হয়নি। ছেলের উপার্জনেই আমাদের সংসার চলত। সকালে কাজে যাচ্ছে বলে ট্রাক্টর নিয়ে বেরিয়ে গেল। আর ফিরল না। আমরা তিনজন অনাথ হয়ে গেলাম। স্বামীয় মৃত্যুর খবরে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন স্ত্রী সৌমি । স্বামী আর নেই, মানতেই পারছেন না তিনি। অরদীপের শ্বশুর সুরেন টুডু বলেন, আমরা ছোটো মেয়ের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল অরদীপের। কিছুদিন পরেই মেয়েকে নিয়ে আমাদের বাড়ি আসার কথা ছিল জামাইয়ের। এলাকার বাসিন্দারা ফোন করে জামাইয়ের মৃত্যুর খবর জানান। হেমতাবাদ থানার আইসি সুজিত লামা বলেন, যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে। একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে। স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যা পূর্বালি সরকার বলেন, আমি অরদীপের বাড়ি গিয়ে পরিবারের লোকের সঙ্গে কথা বলেছি। সরকারিভাবে সহযোগিতার চেষ্টা করব।
মৃত অরদীপের বাবা বাবুলাল চড়ে বলেন, ছেলের বিয়ের ন’মাসও পূর্ণ হয়নি। ছেলের উপার্জনেই আমাদের সংসার চলত। সকালে কাজে যাচ্ছে বলে ট্রাক্টর নিয়ে বেরিয়ে গেল। আর ফিরল না। আমরা তিনজন অনাথ হয়ে গেলাম। স্বামীয় মৃত্যুর খবরে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন স্ত্রী সৌমি । স্বামী আর নেই, মানতেই পারছেন না তিনি। অরদীপের শ্বশুর সুরেন টুডু বলেন, আমরা ছোটো মেয়ের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল অরদীপের। কিছুদিন পরেই মেয়েকে নিয়ে আমাদের বাড়ি আসার কথা ছিল জামাইয়ের। এলাকার বাসিন্দারা ফোন করে জামাইয়ের মৃত্যুর খবর জানান। হেমতাবাদ থানার আইসি সুজিত লামা বলেন, যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে। একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে। স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যা পূর্বালি সরকার বলেন, আমি অরদীপের বাড়ি গিয়ে পরিবারের লোকের সঙ্গে কথা বলেছি। সরকারিভাবে সহযোগিতার চেষ্টা করব।



