নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কেএলসি গুলি-কাণ্ডের পর ২৪ ঘণ্টা কেটে গিয়েছে। কিন্তু গুলি চালিয়ে ফেরার মূল অভিযুক্ত ইনজামামুল পৈলান ওরফে অপুকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি কলকাতা পুলিস। কলকাতা পুলিসের ভারপ্রাপ্ত গোয়েন্দা প্রধান রূপেশ কুমার জানিয়েছেন, ‘পলাতক দুষ্কৃতীর খোঁজে তল্লাশি চলছে।’ সোমবার সন্ধ্যায় কেএলসি থানার ভাটিপোতায় রাস্তার পাশে বাইকে বসে ছিলেন জাহির পুরকায়েত। তখনই হেলমেটে মুখ ঢেকে আসা দুষ্কৃতীদের একটি দল জাহিরকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। গুলি লাগে জাহিরের পিঠে। গুলিবিদ্ধ যুবক বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
Advertisement
খুনের চেষ্টা এবং অস্ত্র আইনের জামিন অযোগ্য ধারায় ইনজামামুলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তদন্তে নামে কলকাতা পুলিসের গুন্ডাদমন শাখার গোয়েন্দা ও কেএলসি থানা। প্রাথমিক তদন্তে উঠে আসে, ইনজামামুল পৈলান ওরফে অপু গুলি চালিয়ে পালিয়ে গিয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, জাহিরকে লক্ষ্য করে কেন গুলি চালাতে গেল অপু? সম্পর্কের টানাপোড়েনের জেরেই কি এই কাণ্ড, সেই জল্পনাও শুরু হয়েছে।
কলকাতা পুলিসের এক সূত্রের দাবি, গুলিবিদ্ধ জাহিরের স্ত্রী’র প্রতি দুর্বলতা ছিল ইনজামামুলের। তাঁকে বিয়ে করতে চেয়েছিল। কিন্তু মহিলাকে বিয়ে করেন জাহির। যা নিয়ে উভয়ের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঠান্ডা লড়াই ছিল। গোয়েন্দাদের অনুমান, এই আক্রোশের জেরেই পথের কাঁটা জাহিরকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিতে গুলি চালানো হয়েছে। কিন্তু বরাত জোরে পিঠে গুলি লাগায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন জাহির। এদিকে, কলকাতার সিপি মনোজ ভার্মার নির্দেশে রাতের কলকাতায় নাকা চেকিং থেকে ব্লক রেইড চলছে।
কলকাতা পুলিসের এক সূত্রের দাবি, গুলিবিদ্ধ জাহিরের স্ত্রী’র প্রতি দুর্বলতা ছিল ইনজামামুলের। তাঁকে বিয়ে করতে চেয়েছিল। কিন্তু মহিলাকে বিয়ে করেন জাহির। যা নিয়ে উভয়ের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঠান্ডা লড়াই ছিল। গোয়েন্দাদের অনুমান, এই আক্রোশের জেরেই পথের কাঁটা জাহিরকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিতে গুলি চালানো হয়েছে। কিন্তু বরাত জোরে পিঠে গুলি লাগায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন জাহির। এদিকে, কলকাতার সিপি মনোজ ভার্মার নির্দেশে রাতের কলকাতায় নাকা চেকিং থেকে ব্লক রেইড চলছে।



