Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বিজয়া সম্মিলনিতে আত্মসমালোচনা তৃণমূলের, বিস্ফোরক প্রাক্তন মন্ত্রী

দলের আত্মসমালোচনা করতে গিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন মগরাহাট পশ্চিমের বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী গিয়াসউদ্দিন মোল্লা।

বিজয়া সম্মিলনিতে আত্মসমালোচনা তৃণমূলের, বিস্ফোরক প্রাক্তন মন্ত্রী
  • ১৪ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও বারাসত: দলের আত্মসমালোচনা করতে গিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন মগরাহাট পশ্চিমের বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী গিয়াসউদ্দিন মোল্লা। সেই সংক্রান্ত একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যদিও তার সত্যতা যাচাই করেনি বর্তমান। রবিবার এই বিধানসভায় বিজয়া সম্মিলনীর আয়োজন করা হয়েছিল। ভিডিওতে শোনা যাচ্ছে, বক্তব্য রাখতে গিয়ে গিয়াস বলছেন, দলে লুটে পুটে খাওয়ার লোক ভরে গিয়েছে। স্বৈরাচারীতে ভরে গিয়েছে দল। ক্ষমতা চাইছে ওরা। ব্লক সভাপতি পদের জন্য কলকাতায় ছুটে বেড়াচ্ছে। যত টাকা লাগবে দিতে তারা রাজি। এরা দলের কোনও কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত নন। খালি গ্রুপ আর লবিবাজি করছে। আর গিয়াসউদ্দিনের লোকজনকে কখন মারব, পঞ্চায়েত সমিতির কাজে ওদের ঢুকতে দের না, এসব করছে। এই ভিডিও ভাইরাল হতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। যদিও এই নিয়ে বিশেষ কোনও মন্তব্য বা ব্যাখ্যা দেননি বিধায়ক। তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, যা ঘটছে সেটাই বলেছেন বিধায়ক। 

Advertisement

অপরদিকে, সোমবার ছিল বারাসত শহর তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয়া সম্মিলনি। আর তাতে গত লোকসভা ভোটে পুর এলাকায় তৃণমূলের হার নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করলেন নেতৃত্ব। বিজয়া সম্মিলনিতে উপস্থিত হয়ে বারাসত সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, প্রেক্ষাগৃহ আজ কানায় কানায় ভর্তি। মহিলা সংগঠন ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছে। আর সেখানে, আমরা পরাজিত হই কী করে? এরপর দলের প্রতি দায়বদ্ধতা শুনিয়ে সাংসদের দাবি, সারা বছর আমার কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ আছে। আর কোনও জনপ্রতিনিধির আছে কি না, জানা নেই! জেলা পরিষদের সভাধিপতি তথা অশোকনগরের তৃণমূল বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী বলেন, কাউন্সিলরদের বলব, পুরসভার ভোটে আপনারা অপেক্ষাকৃত বেশি ভোটে জেতেন। কিন্তু বিধানসভা ভোটে কেন হয় না? আগামী বিধানসভা নিবাচন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চতুর্থবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী করার ভোট। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে মানুষের প্রত্যাশা থাকে। বারাসতের বাসিন্দা হিসাবে আমি বলতে চাই, মাঝেমধ্যে কানপাতলে শোনা যায় নাগরিক পরিষেবা নিয়ে মানুষের ক্ষোভ। আমি কোনও ব্যক্তিকে দায় দিচ্ছি না। আমরা সবাই আছি। পুরসভার সবার মিলে এই খামতি দ্রুত দূর করতে হবে। একই প্রসঙ্গ টেনে খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ বলেন, বারাসত শহরে আমরা ২২থেকে ২৩ হাজার ভোটে হেরেছি। এটাকে ফিরিয়ে আনতে গেলে কী করতে হবে, সেটা আমরা ভাবব না! মনে রাখতে হবে দল থাকলে আমার আছি, না থাকলে আমাদের কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ