


দিবাকর মজুমদার, ইটাহার: গ্রামীণ এলাকায় ছোট ছোট বৈঠক করে মোশারফ হোসেনের জয়ের পথ মসৃণ করতে মহিলাদের কাছে যাচ্ছেন তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের নেত্রীরা। কোথাও গাছতলা, আবার বাড়ির উঠোনে বসে পাড়ার মহিলাদের বোঝাচ্ছেন তৃণমূলের প্রমিলা বাহিনী। সংসারের কাজ সামলে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ইটাহার বিধানসভার বুথে বুথে দিনে ১০টি করে চটি বৈঠক করছেন মহিলা নেত্রীরা। বোঝানো হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের আমলে মহিলাদের অগ্রগতির কাহিনি। ইটাহারের তৃণমূল প্রার্থীকে জেতাতে প্রতিদিন সকাল ১১ টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ইটাহার ব্লক তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের ১৫ জনের টিম বিধানসভার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটছে। বিকেল হলেই পাড়ার মহিলাদের ডেকে এক জায়গায় করে রাজ্য সরকারের খতিয়ান তুলে ধরে তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে ভোট চাইছেন নেত্রীরা। এলাকার মহিলাদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে বিদায়ী বিধায়কের গত পাঁচ বছরের উন্নয়নের রিপোর্ট কার্ড ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অঙ্গীকারপত্র। সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয়, বাচ্চাদের আনন্দ দিতে দেওয়া হচ্ছে লুডো খেলার বোর্ড। বৈঠকে বক্তব্যের মাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে মমতা সরকার আনন্দধারা প্রকল্প চালু করে কীভাবে স্বনির্ভর করে তুলেছে মহিলাদের। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মাধ্যমে গ্রামের মহিলাদের কতটা উন্নতি হয়েছে, সেসব কথাও জানানো হচ্ছে আরেকবার। পাশাপাশি, বিজেপিশাসিত রাজ্যে নারীরা কীভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন, সেটাও গ্রামের বাসিন্দাদের মনে করিয়ে দিচ্ছেন তৃণমূল নেত্রীরা। আদিবাসী অধ্যুষিত বুথে তাঁদের ভাষায় বোঝানো হচ্ছে তৃণমূল সরকারের উন্নয়নের কথা। ইটাহার ব্লক তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী পূজা দাস বলেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, আনন্দধারা সহ একাধিক প্রকল্পের মাধ্যমে মহিলাদের সম্মান দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই বিরোধীদের চক্রান্ত থেকে সতর্ক করতে এবং তৃণমূলের পক্ষে থাকার আহ্বান জানাতে মহিলাদের নিয়ে বুথে বুথে লাগাতার বৈঠক করা হচ্ছে।