


দিবাকর মজুমদার, ইটাহার: উন্নয়নের নিরিখে দ্বিতীয় তকমা ঘুচিয়ে এবার ফার্স্ট বয় হওয়ার লড়াই। পতিরাজপুর অঞ্চলে তৃণমূল প্রার্থী মোশারফ হোসেন নির্বাচনি জনসভা করে এই টার্গেটই বেঁধে দিয়েছেন। পতিরাজপুরে বিজেপিকে পিছনে ফেলে লিড নিতে মরিয়া তৃণমূল। তাই আদাজল খেয়ে বুথ ভিত্তিক বৈঠক ও বাড়ি বাড়ি জনসংযোগে গুরুত্ব দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের সমস্ত শাখা সংগঠন।
গত পাঁচ বছরে বিজেপি পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় রাজ্য সরকারের উন্নয়ন দেখে পদ্ম ছেড়ে ঘাসফুলের দিকে ঝুঁকছে মানুষ, দাবি তৃণমূল প্রার্থীর। রবিবারও ইটাহারের দুর্গাপুর ও জয়হাট গ্রাম পঞ্চায়েতে নির্বাচনি সভা করেন মোশারফ।
গত বিধানসভা ভোটে ইটাহারের পতিরাজপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল প্রায় ৪ হাজার ভোটে পিছিয়ে ছিল। গত লোকসভা ভোটে সেই ব্যবধান কমে দাঁড়ায় ২ হাজার ৮০০। কিন্তু বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েত হলেও সেখানে উন্নয়ন থমকে থাকেনি। তৃণমূলের দাবি, গত পাঁচ বছরে রাস্তা, পানীয় জল, লাইট, নিকাশিনালা, কমিউনিটি হল, শ্মশান সহ একাধিক উন্নয়ন হয়েছে পতিরাজপুর অঞ্চলে। তারপরও পতিরাজপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মানুষের মন তৃণমূল পাচ্ছে না কেন? তার ‘ময়নাতদন্ত’ করে এবার তৃণমূলের সমস্ত শাখা সংগঠন আসরে নেমেছে। প্রার্থী নিজেও পতিরাজপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বুথে বুথে পাড়া বৈঠক করছেন। সঙ্গে মহিলা, যুব, ছাত্র, এসসি, এসটি সহ বিভিন্ন শাখা সংগঠনের নেতারাও বাড়ি গিয়ে মানুষকে বোঝাচ্ছেন। রাজ্য সরকারের উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে তৃণমূলে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন নেতারা।
তৃণমূল প্রার্থী মোশারফ বলছেন, পরিরাজপুরে আমাদের লিড কম হলেও উন্নয়ন থমকে থাকেনি। ফলে উন্নয়নের নিরিখে এবার পদ্মকে সরিয়ে ঘাসফুলের হাওয়া বইতে শুরু করেছে পতিরাজপুরে। যদিও তৃণমূলকে কটাক্ষ করে বিজেপি প্রার্থী সবিতা বর্মন বলেন, বাইরে থেকে লোক এনে মাঠ ভরিয়ে লাভ নেই। পরিরাজপুরে বিজেপির লিড আরো বাড়বে।