নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: পূর্তদপ্তরের জমি দখল করে নির্মাণের অভিযোগ উঠেছিল পঞ্চায়েতের এক উপপ্রধানের বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে নথিপত্র নিয়ে হাজিরার নির্দেশ দিয়ে নোটিস পাঠিয়েছিল পূর্তদপ্তর। সেই নোটিশ পাওয়ার পরই বিতর্ক ও অশান্তি এড়াতে নিজের তৈরি দোকানঘরের একাংশ ভেঙে ফেললেন সংশ্লিষ্ট উপপ্রধান। বৃহস্পতিবার জগৎবল্লভপুরের কালীতলায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জগৎবল্লভপুর ২ নম্বর পঞ্চায়েতের তৃণমূল উপপ্রধান আশাদুল্লা কাজির একটি দোকানঘর রয়েছে বড়গাছিয়া-জগৎবল্লভপুর রোডের ধারে কালীতলা এলাকায়। অভিযোগ, ওই দোকানঘরের একটি অংশ পূর্তদপ্তরের জমি দখল করে নির্মাণ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পূর্তদপ্তর ইতিমধ্যেই পদক্ষেপ করে। আগামী ২৯ জুন নথিপত্র নিয়ে জেলা পূর্তদপ্তরের অফিসে শুনানিতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় আশাদুল্লা কাজিকে। তবে নির্ধারিত শুনানির আগেই বৃহস্পতিবার লোক লাগিয়ে দোকানঘরের বিতর্কিত অংশ ভেঙে ফেলেন তিনি। উপপ্রধান আশাদুল্লা কাজির দাবি, ২০২৪ সালে তিনি জমিটি ক্রয় করেন এবং নিজের জমির সীমানার মধ্যেই দোকানঘর নির্মাণ করেছিলেন। তাঁর কথায়, ‘সরকার পরিবর্তনের পর হঠাৎই পূর্তদপ্তর থেকে নোটিস পাই। বিষয়টি নিয়ে পরিবারের সদস্যরা, বিশেষ করে আমার অসুস্থ বাবা-মা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তাই পারিবারিক শান্তি বজায় রাখতেই নিজের উদ্যোগে নির্মাণটি ভেঙে দিচ্ছি।’ বিজেপির জগৎবল্লভপুর ১ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি স্বপন চক্রবর্তীর দাবি, বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তাঁর অভিযোগ, বিষয়টি সামনে আনায় বিজেপি কর্মীদের ভয় দেখানো হয়েছিল। বর্তমানে প্রশাসন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছে।